Facebook Boost result

ক্লায়েন্টের জন্য করা বুস্ট এর রেজাল্ট

আমরা বিগত ৫ বছরে বাংলাদেশের মার্কেটে ফেসবুক মার্কেটিং এর সার্ভিস দিয়ে আসছি। ৫০০+ ক্লায়েন্টকে এখন পর্যন্ত সেবা দিতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ। সব বুস্টে লাখ লাখ সেল এনে দিতে পারব, এ কথা কখনই বলবনা, তবে অনেক ক্লায়েন্ট আমাদের থেকে সার্ভিস নিয়ে ভাল ফলাফল পেয়ে ২-৩ বছর ধরে আমাদের সাথেই কাজ করছে। নিচে আমাদের করা কিছু বুস্ট এর রেজাল্ট তুলে ধরলাম। এগুলো বিগত কয়েক বছরের রেজাল্টের উদাহরণ।

বিস্তারিতঃ আলহামদুলিল্লাহ। ১৪ লাখ, ১৮ লাখ এবং ২৫ লাখ। এভাবেই এই ক্লায়েন্ট এর মান্থলি সেল জেনারেট করেছি আমরা। এই রেজাল্ট লাস্ট মাসের। শুধু ম্যাসেজ ক্যাম্পেইন করেছি এবং টাইম টু টাইম কন্টেন্ট আপডেট করেছি। লম্বা ডিউরেশন এর ক্যাম্পেইন অলঅয়েজ কাজে দিয়েছে এই ক্লায়েন্ট এর জন্য।Nবছর খানেক ধরে যখন কোয়ালিটি অডিয়েন্স তৈরি হয়ে যায় তখন অরগানিকভাবেই সেল আসার সুযোগ বেড়ে যায়। টারগেট করলেও তখন ভাল অডিয়েন্স পাওয়া সহজ হয়। আশা করি ভবিষ্যতে আরও ভাল রেজাল্ট আসবে ইন শা আল্লাহ্‌। ফেসবুক এবং ইন্সটাগ্রাম অ্যাড এর সার্ভিস এবং ট্রেইনিং এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

 


বিস্তারিতঃ

⚡আলহামদুলিল্লাহ, প্রত্যেক মাসের মত ক্লায়েন্ট এর সেল আপডেট শেয়ার করছি আপনাদের সাথে। ১৭০ ডলারের মাস ব্যাপী বুস্ট থেকে এই মাসের টোটাল সেল ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার বেশী। প্রায় দুই বছরের বেশি সময় ধরে এই ক্লায়েন্ট এর সাথে কাজ করছি আলহামদুলিল্লাহ।

ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম এ বিভিন্ন রকমের অ্যাড রান করে আমাদের এই ফলাফল। এই প্রোডাক্ট খুবই কম্পেটিটিভ প্রোডাক্ট। এই সময়ে তো আরও বেশী, এর পরেও সেল ধরে রাখতে পেরেছিলাম।

আপনাদের জন্য কিছু টিপসঃ

  • লম্বা সময় ধরে অ্যাড চালাবেন
  • বিভিন্ন ধরণের অ্যাড দিবেন
  • কস্ট পার ম্যাসেজ কম রাখার চেষ্টা করবেন
  • ধৈর্য রাখবেন
  • এবং আমাদের থেকে সার্ভিস নিবেন 😁

ফেসবুক ইন্সটাগ্রাম এ অ্যাড এর সার্ভিস নিতে এবং ট্রেইনিং এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

 


বিস্তারিতঃ

আলহামদুলিল্লাহ। ডিসেম্বর সেল আপডেট #২। সাড়া মাস জুড়ে আমরা ২৫০ ডলারের কম বেশী অ্যাড রান করি এবং এখান থেকে মাসে সেল হয় ২ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকার মত। এই প্রডাক্ট ক্যাটেগরি অনেক কম্পেটিটিভ। কারণ অনেক বড় বড় প্লেয়ার আছে এবং উঠতি পেইজও আছে। বরাবরের মত এটাও পুরোপুরি ম্যাসেজ ক্যাম্পেইন ছিল। আমার টার্গেট ছিল আরেকটু বেশী সেল এনে দেয়া যেহেতু বাজেট একটু বেশী ছিল, তাও যা হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। আরও কিছু প্ল্যান করছি এই ক্লায়েন্ট এর জন্য, ইন শা আল্লাহ্‌ আগামী ১-২ মাসের মধ্যে আরও বেটার রেজাল্ট নিয়ে আসতে পারব।

ফেসবুক বুস্ট এর সার্ভিস এবং ট্রেইনিং এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।


৪। বিস্তারিতঃ

২৩০ ডলারে সেল হল ৬ লক্ষ টাকার। আলহামদুলিল্লাহ। এই ক্লায়েন্ট এর আপডেট গত মাসেও দিয়েছিলাম এবং এবারও সেল বেড়েছে। সারা মাস জুড়ে বাজেট ছিল ২৩০ ডলারের মত। শুধু ম্যাসেজ ক্যাম্পেইন করেই এই সেল জেনারেট করা হয়েছে। প্রোডাক্টের ইউনিট প্রাইস ছিল ৭০০-১০০০ এর মধ্যে।

১-২টা বুস্ট করিয়ে কখনো বোঝার উপায় নেই একটি প্রতিষ্ঠান কি রকম সার্ভিস দেয়। এই ক্লায়েন্ট এর কাজ করছি প্রায় ৪ মাস ধরে এবং আলহামদুলিল্লাহ প্রতি মাসে বাজেট এবং সেল দুটিই বাড়ছে।

ফেসবুক মার্কেটিং এর যেকোনো সার্ভিস এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এবং আমাদের থেকে ফেসবুক মার্কেটিং এর ট্রেইনিং ও নিতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।


৫। বিস্তারিত

⚡আলহামদুলিল্লাহ। ২০ ডলারে ২৪,০০০ হাজার টাকার অর্ডার! এই ক্লায়েন্টের অ্যাড রান করেছিলাম নভেম্বর মাসে। প্রোডাক্টটা একটু ভিন্ন এবং এরকম প্রোডাক্ট এর অ্যাড আমরা প্রথম রান করছিলাম। যেহেতু এটা কোন কনজিউমার গুড না, প্রোডাক্ট এর টার্গেটিংটা অনেক ইম্পরট্যান্ট ছিল। কন্টেন্ট এর ধরণ একদম বেসিক টাইপ ছিল। প্রোডাক্ট যেহেতু ভিন্ন রকম, তাই কন্টেন্ট নিয়ে বেশী এক্সপেরিমেন্ট করার দরকার মনে করিনি। একদম যত সহজভাবে বুঝানো যায় সেটার দিকে খেয়াল রেখেছি। ফার্স্ট টাইম এবং ইউনিক প্রডাক্ট হিসেবে টারগেটিং টু দ্য পয়েন্ট হওয়ার দরকার ছিল, এবং ফলাফল দেখে মনে হচ্ছে অতটাও খারাপ হয়নি, কি বলেন?

ফেসবুক অ্যাড এর সার্ভিস, ট্রেইনিং এবং পেইড কন্সালটেন্সি এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

 


৬। বিস্তারিতঃ

১০০ ডলার বুস্ট থেকে ১০ দিনে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকার সেল। আলহামদুলিল্লাহ। যারা নভেম্বর ডিসেম্বর মাসে ফেসবুক এর অ্যাড এর রেজাল্ট খারাপ হলে “ফেসবুক আপডেট” এর দোষ দেয় তাদের জন্য সমবেদনা। বড়দিন, থাঙ্কস গিভিং, নিউ ইয়ার এ সকল অকেশনের কারণে কখনো নভেম্বর-জানুয়ায়ি পর্যন্ত ফেসবুক অ্যাড রিলেটেড অ্যালগরিদমে কোন চেঞ্জ আনে না। যারা অ্যাড খারাপ হওয়ার দোষ ফেসবুকের উপর চাপাচ্ছে তারা খেলা পারে না। তবে হ্যাঁ, আমাদের দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে অনলাইনে সেল কমে গিয়েছে এবং সেটা সত্য। তবে এখানে ফেসবুক এর আপডেটের কোন সম্পর্ক নেই। যে প্রডাক্ট সেল হওয়ার মত, সঠিক কন্টেন্ট এবং টারগেটিং থাকলে ইন শা আল্লাহ্‌ সেল আসবে, যেমন আমাদের এই ক্লায়েন্টটি।

লম্বা সময় ধরে চারটি ভিন্ন পোস্টে সঠিক টারগেটিং করে অ্যাড রান করে গত ১০ দিনে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকার বেশী সেল জেনারেট হয়েছে। অ্যাডগুলো এখনো চলছে, মাসের শেষে আরেকটা আপডেট দিতে পারব আপনাদের।

অনেকে আমাদের কথা বিশ্বাস করেন না, তাই স্ক্রিনশট দিয়ে দিলাম, প্রয়োজনে ক্লায়েন্ট এর সাথে কথা বলিয়ে দিতে পারব।

ফেসবুক বুস্ট এর সার্ভিস নিতে বা আমাদের থেকে শিখতে আমাদের সাথে যোগাযোগ কর‍তে পারেন।

 

 

৭। বিস্তারিতঃ

আলহামদুলিল্লাহ। ১০ ডলার বুস্ট, ৪৪,০০০ টাকার বেশী সেল। এবারের বিষয়টা ভিন্ন, এটা ১-২ বছর ধরে কাজ করা ক্লায়েন্ট এর রেজাল্ট না, একদম নতুন ক্লায়েন্ট। খুব বেশী হলে ২-৩ টা বুস্ট করেছেন আমাদের সাথে বিগত ১-২ মাসের মধ্যে। সম্প্রতি করা বুস্টে আলহামদুলিল্লাহ ভাল রেজাল্ট পেয়েছি। ১০ ডলারের একটি বুস্ট থেকে সেল জেনারেট হয়েছে ৪৪,০০০ টাকার বেশী, ম্যাসেজ এসেছে ১১০+ এবং কস্ট পার ম্যাসেজ ও অনেক কম ছিল, প্রোডাক্টের ইউনিট প্রাইজ এভারেজে ৫০০-৭০০। অ্যাডটা ভাল পারফর্ম করেছে আলহামদুলিল্লাহ, এবং এর জন্যে টারগেটিং এবং প্রোডাক্ট এর ভূমিকা ছিল বলার মত। ইউনিক প্রডাক্ট হলে মন্দার মধ্যেও সেল ধরে রাখা সম্ভব যদি সঠিক টারগেটিং করা যায়। অনেকের শুধু অ্যাড ইন্সাইটের স্ক্রিনশটে এলারজি আছে, তাই ক্লায়েন্ট এর দেয়া ম্যাসেজ এর প্রমানও জুড়ে দিলাম।

এই পোস্ট দেখে ভাববেন না আমাদের সব অ্যাডই এরকম পারফর্মেন্স আনবে, প্রোডাক্ট, কন্টেন্ট, পেইজের কাস্টমার ম্যানেজের অ্যাবিলিটি ইত্যাদির উপরও নির্ভর করে রেজাল্ট কেমন হবে।

নিজের বুস্ট নিজে করে ভাল ফলাফল পেতে সঠিক পদ্ধতি শেখার বিকল্প নেই। বুস্টের সার্ভিস বা ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেইনিং এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

 

৮। বিস্তারিতঃ

⚡️আলহামদুলিল্লাহ। বিগত দেড় মাসে ১৭০ ডলারের বুস্ট থেকে ৫,০০,০০০ লাখের এর বেশী সেল। ম্যাসেজ ক্যাম্পেইন এবং লাইক ক্যাম্পেইনের কম্বিনেশন। ওয়েবসাইট না, শুধু ফেসবুক এবং ইন্সটাগ্রাম থেকেই এই সেল জেনারেট হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। প্রোডাক্ট কি কখনো বলি নাই, বলব না। তবে এখান থেকে তিনটি বিষয় আছে শেখারঃ

১। বুস্ট অফ না করে বিভিন্ন ধরণের ক্যাম্পেইন সারা মাস চালু রাখা উচিত

২। কোন ক্যাম্পেইনে কস্ট পার ম্যাসেজ বেশী আসলে ঘাবড়াবেন না, এটা হতে পারে। বিভিন্ন অডিয়েন্স এ অ্যাড রান করতে থাকেন

৩। অরগানিক পোস্ট প্রতিদিন পেইজে দেয়া যাতে রিচ কমে না যায়।

ফেসবুক বুস্টের সার্ভিস বা ট্রেইনিং নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

 

 

৯। বিস্তারিতঃ ঈদ সেল আপডেট। জুন মাসে এই পেইজের টোটাল বুস্ট ছিল ১৩০-১৪০ ডলারের মত। সেখান থেকে সেল হয় ১৪ লক্ষ টাকা। এই পেইজের আপডেট আগেও অনেকবার দিয়েছি, এবার ঈদে আলহামদুলিল্লাহ ভাল রেজাল্ট পেয়েছি। বলে রাখি এটা ঈদ সম্পর্কিত কোন প্রডাক্ট না। ভাবছি ক্লায়েন্টকে বলব বাজেট বাড়ায় আরও বেশী ভারিয়েশন এর অ্যাড দিতে। আশা করি সেইল তখন আরও আসবে। যেসকল ক্লায়েন্ট এর ভাল রেজাল্ট আসে না, তারা কষ্ট পাবেন না, আপনয়ার সময় আসবে। সার্ভিস বা ট্রেইনিং নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

 


১০। ৩০০ ডলারে ১৫ লক্ষ টাকার সেল

 


১১। ⚡️ঈদ আপডেট। এবার দেখলাম অনলাইনের পাশাপাশি যাদের ফিজিক্যাল স্টোর আছে তাদের অফলাইন অনলাইন মিলিয়ে বেটার রেসপন্স এসেছে। গত দুই বছরের তুলনায় এবারের অনলাইন কেনা কাটা আমাদের কাছে একটু কম মনে হয়েছে, কারণটা জানা নেই। তবে এর মাঝেও আলহামদুলিল্লাহ ক্লায়েন্ট এর সেল মোটামোটি ধরে রাখতে পেরেছি। যে সকল ক্যাম্পেইনগুলো থেকে ভাল রেজাল্ট এসেছে, তার মাঝে এটি একটি। ১ মাসের বেশী সময় ধরে ৩৩০ ডলারের বুস্ট থেকে সেল এসেছে ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার বেশী। ক্যাম্পেইন গুলো ভাল মন্দ মিলিয়ে পারফর্ম করেছে, কোনটা বেশী রেসপন্সে কোনটা কম। ছেলেদের দিয়ে অনলাইনে কেনা কাটা করানো মেয়েদের থেকে কঠিন, তার মাঝে এরকম রেসপন্স আলহামদুলিল্লাহ। তবে আরও বেটার আশা করেছিলাম ❤

১২। বিস্তারিতঃ

✨গত রোজাতেও এই প্রোডাক্টের বাম্পার সেল হয়েছিল আলহামদুলিল্লাহ। ১০ ডলার বুস্টে, কস্ট পার ম্যাসেজ মাত্র ০.০১ সেন্ট এবং সর্বমোট ৭৫০+ ম্যাসেজ। প্রোডাক্টের ইউনিট প্রাইজ অনেক কম এবং টোটাল ৪২,০০০ টাকার সেল হয়েছে ৫ দিনে। গত ঈদে আরও বেশী হয়েছিল যদিও, তারপরও মৌসুমি প্রোডাক্ট হিসেবে খারাপ না, কি বলেন?

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সার্ভিস এবং ট্রেইনিং নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।


১৩। বিস্তারিতঃ

✨আলহামদুলিল্লাহ। এই ক্লায়েন্ট মান্থলি কাজ না করলেও মাঝে মাঝে আমাদের দিয়ে বুস্ট করিয়ে নেয় এবং আলহামদুলিল্লাহ সব সময়েই খুব ভাল ফলাফল আনতে পেরেছি। প্রোডাক্টটা সিজনাল এবং কাস্টোমাইজড, পেইজের ওউনার নিজের হাতের গুনে প্রোডাক্টগুলো তৈরি করে। রেজাল্টের জন্য আমাদের ক্রেডিট থেকে উনার হাতের কাজের দক্ষতার ক্রেডিট বেশি, আমরা শুধু সহায়ক। টোটাল ১০ ডলারের বুস্ট থেকে ৫ দিনে সেইল হয়েছে প্রায় ২৫,০০০ টাকা, আলহামদুলিল্লাহ।

বুস্টের সার্ভিসের জন্য এবং ট্রেইনিং নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

 


১৪। বিস্তারিতঃ

⚡️আলহামদুলিল্লাহ। এই ক্লায়েন্ট এর আপডেট আগেও শেয়ার করেছি। ফেব্রুয়ারি মাসে টোটাল ১৪০ ডলারের বুস্ট থেকে সেল হয়েছে ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার উপরে। এই প্রডাক্ট প্রচণ্ড কম্পেটেটিভ একটা প্রোডাক্ট এবং রেগুলার সেল ধরে রাখা কঠিন। তবুও বিভিন্নভাবে টারগেটিং করে ধরে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। মার্চ মাসে টারগেটিং এ নতুন একটি স্ট্র্যাটেজি ফলো করব ভাবছি, এক মাস পর আপনাদের জানাবো কেমন কাজ করল ইন শা আল্লাহ।

আমাদের থেকে সার্ভিস নিতে এবং ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেইনিং নিতে পেইজে যোগাযোগ করুন।

 


১৫। বিস্তারিতঃ

⚡️আলহামদুলিল্লাহ। কি বিক্রি করছেন সেটাই মূল বিষয় না, কিভাবে বিক্রি করছেন সেটাও অনেক কিছু বদলে দিতে পারে। এই ক্লায়েন্ট এর আমাদের সাথে এটাই প্রথম কাজ, তবে একই রকম প্রোডাক্ট নিয়ে আগেও কাজ করেছি। ১০ ডলারের বুস্ট থেকে এখন পর্যন্ত সেল ২২,০০০ টাকার উপরে মাত্র ৫ দিনে, ইউনিট প্রাইস খুব বেশী না, টোটাল ম্যাসেজ থেকে কনভার্সন রেটের পরিমাণ ও যথেষ্ট।

প্রডাক্ট ইউনিক এবং প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন ও ইউনিক, সাথে প্রপার টারগেটিং তো আছেই। আশা করি ওনাদের আগামী বুস্ট গুলোও আরও ভাল ফলাফল এনে দিতে পারবে ইন শা আল্লাহ্‌

ফেসবুক মার্কেটিং এর সার্ভিস নিতে বা ট্রেইনিং নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

১৬। বিস্তারিতঃ

⚡️আলহামদুলিল্লাহ! ক্লায়েন্টের সেল আপডেট। আমাদের রেগুলার ক্লায়েন্ট, বছর খানেক ধরে সার্ভিস দিয়ে আসছি, গেল জানুয়ারি মাসে মোটামোটি ১৫০ ডলারের এর কিছু বেশী বুস্ট থেকে শুধু ডিজিটাল থেকে সেইল এসেছে ২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার উপরে। আলহামদুলিল্লাহ। এর আগের বার একটি রেজাল্ট শেয়ার করেছিলাম, সেখানে হয়েছিল ১৭ লাখ এর মত, অনেকে ইনবক্স করে জিজ্ঞাসা করেছে সত্যি বলছি কিনা 🤣 অবশ্যই সত্যি বলছি। সঠিক অডিয়েন্স ধরতে পারলে এবং ধৈর্য সহকারে কাজ করতে থাকলে ইন শা আল্লাহ্‌ ভাল ফলাফল আসবে।

প্রোডাক্ট কি সেটা বলা যাবে না, তবে ড্রেস, জুয়েলারি বা গ্যাজেট না এটা জানিয়ে দিলাম।

সার্ভিস নিতে অথবা আমাদের থেকে ট্রেইনিং নিতে ম্যাসেজ দিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন ❤

 

১৭। বিস্তারিতঃ

১৩২$ বুস্টে ১৭ লক্ষ টাকার সেল শুধু ডিসেম্বর মাসেই। আমাদের কাজের শুরু থেকে শুধু ফেসবুক ব্যবহার করে সবচেয়ে বেশী সেল জেনারেট করা ক্যাম্পেইন মনে হয় এখন পর্যন্ত এটাই। কোন আহামরি ক্রিয়েটিভ কন্টেন্ট না, খুব ভাল প্রেজেন্টশন যে, তাও না। প্রোডাক্ট ডিমান্ড, সঠিক টারগেটিং এবং নিয়মিত বিভিন্ন ধরণের পোস্ট করে পেইজটা অ্যাকটিভ রাখার মাধ্যমে আল্লাহর রহমতে এরকম একটি ফলাফল পেয়েছি, সকল প্রশংসা আল্লাহর।

এই পেইজের সাথে কাজ করছি বছর খানেক এবং নিয়মিত কাজ করে আসছি। রেগুলার ক্লায়েন্টদের জন্য অডিয়েন্স তৈরি করার সময় অনেক মনোযোগ এবং পরিশ্রম দেই, একটা ভাল অডিয়েন্স পেলে শুধু ওইটাই বারবার ব্যবহার করার পক্ষপাতি আমি নই। বিভিন্ন ধরণের অডিয়েন্স সাজিয়ে, এক্সপেরিমেন্ট করে, ট্রায়াল এবং এরর করে আপনাকে জ্যাকপট অডিয়েন্সটা খুঁজে বের করতে হবে। নভেম্বরে সেইল হয়েছিল ১০ লক্ষ এর অধিক, ডিসেম্বর এ ১৭ লক্ষ শুধু ফেসবুক থেকে। এখানে কিছু অ্যাড এর স্ক্রিনশট দেয়া হয়েছে। সারা মাস জুড়ে পেইজে অ্যাডের মাধ্যমে ম্যাসেজ এসেছে ১,৮০০+

প্রোডাক্টের ধরণ কি কোনভাবেই বলব না, তাহলে মার্কেট নষ্ট হতে আর সময় লাগবে না, তবে কোন প্রোডাক্ট না সেটা বলে দেই, এটা কোন ড্রেস, কসমেটিক্স বা শীতের কাপড়ের পেইজ না।

আমাদের সার্ভিস নিতে বা আমাদের থেকে ফেসবুক মার্কেটিং শিখতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন 💁‍♂️

 

১৮। বিস্তারিতঃ

⚡️আলহামদুলিল্লাহ, মা শা আল্লাহ্‌। এই পেইজের মার্কেটিং এর দায়িত্বে আছি বছর খানেক। এই বছর শেষে প্রচণ্ড কম্পিটিশন এর মধ্যেও অ্যাড থেকে অনেক ভাল ফলাফল এসেছে আলহামদুলিল্লাহ। ছবিতে শুধু অ্যাক্টিভ কিছু অ্যাড দেখা যাচ্ছে। শুধু এই মাসেই ১৬০ ডলার থেকে সেল এসেছে প্রায় ২ লাখ টাকার উপরে আলহামদুলিল্লাহ। প্রোডাক্ট সম্পর্কে বেশী বলতে পারব না, শুধু বলতে পারব ইউনিসেক্স ক্লদিং আইটেম। অনেক কম্পিটিটিভ প্রোডাক্ট, বড় বড় ব্র্যান্ড এর সাথে পাল্লা দিয়ে অ্যাড পারফর্মেন্স ধরে রাখতে হয়েছে।

 

অল্প কিছুদিন এক দুইটা অ্যাড দিয়ে বন্ধ করে দিলে বা বুস্টের প্রতি নেগেটিভ মাইন্ডসেট রাখা উচিত নয়। কোয়ালিটি কন্টেন্ট, প্রোডাক্ট এবং ওয়েল রিসার্চড অডিয়েন্স টার্গেট করতে পারলে ব্যবসায় বড় হতে বাধ্য। রানিং অ্যাড গুলোর কিছুতে কস্ট পার ম্যাসেজ কম, কিছুতে অনেক বেশী। কিছু অ্যাড এ অল্প বাজেটে ০.০৪ ডলার, এবং কিছু অ্যাডে তিনগুন বেশী বাজেটে ৪ গুণ বেশী কস্ট পার ম্যাসেজ। সেইল আসছে সব অ্যাড থেকেই। আমি কি বোঝাতে চেয়েছি অনেকেই বুঝে গিয়েছেন, আর না বুঝে থাকলে আমাদের ট্রেইনিং প্রোগ্রাম এ জয়েন করতে পারেন 😃 তখন আপনার বুস্টের রেজাল্ট ও এরকম ভাল আসবে ইন শা আল্লাহ্‌।

 

 

১৯। বিস্তারিতঃ

⚡️আলহামদুলিল্লাহ। অনেক প্ল্যানিং করে এই প্রোডাক্টের কন্টেন্টা ডিজাইন করা হয়েছিল। এরকম মৌসুমি এবং অ্যাভেইলএবল প্রোডাক্টে ভাল রেজাল্ট আনা টাফ। তবে ৪০ ডলার খরচে ৬৮২ ম্যাসেজ এসেছে এবং সেইল হয়েছে প্রায় ২০,০০০ এর কাছাকাছি। যে পরিমাণ ম্যাসেজ এসেছে সেই তুলনায় এখন পর্যন্ত সেইল কম, কিন্তু পার ইউনিট প্রাইজ হিসেব করলে বেশ ভাল রেজাল্ট এসেছে বলা যায়। যে ম্যাসেজগুলো এসেছে সেগুলো ফলো আপ করে এবং লম্বা সময় ধরে ক্যাম্পেইন চালিয়ে গেলে আরও সেইল আসবে ইন শা আল্লাহ্‌।

আমাদের যে সকল ক্লায়েন্ট আশানুরূপ রেজাল্ট পাচ্ছেন না, এই পোস্ট দেখে ব্যথিত হবেন না, আপনা টাইম আয়েগা।

২০। বিস্তারিতঃ ⚡️আলহামদুলিল্লাহ। ঈদের মধ্যে একটা ভাল ক্যাম্পেইন করা বেশ কঠিন। কিছু পেইজের ক্যাম্পেইন আছে যার রেজাল্ট সন্তুষ্টজনক না, আবার এরকম ক্যাম্পেইনও আছে যেখানে ১০ ডলারের বুস্ট এবং একই সাথে ২ জন ইনফ্লুয়েন্সার এর সাথে পি আর করে ৫ দিনে ৭৮+ অর্ডার এবং ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার সেল জেনারেট হয়। পেইজটির সাথে কাজ করছি প্রায় দুই বছরের বেশী সময় ধরে। শুরু থেকেই টারগেটিং, প্রোডাক্ট কোয়ালিটি এবং ফটোগ্রাফি ছিল অ্যাবোভ এভারেজ। আলহামদুলিল্লাহ্‌, আল্লাহ্‌ কবুল করেছেন ❤

২১। বিস্তারিতঃ ⚡️ঈদের জন্য এই প্রোডাক্ট না, তাও এখন পর্যন্ত এই হচ্ছে ফলাফল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেলের পরিমাণ ২৫,০০০+ আর কিছু বলব না। আলহামদুলিল্লাহ ❤

২২। বিস্তারিতঃ

⚡️এটা হচ্ছে ঝোপ বুঝে কোপ দেয়ার একটি উদাহরণ। ১০ ডলারে টোটাল ৪৩,০০০ টাকার বেশী সেল। না ভাই, এটা জামা না, শাড়ি না, জুতাও না এবং জুয়েলারিও না। একদম ইউনিক এবং সিজনাল একটি প্রোডাক্ট। এরকম প্রোডাক্ট নিয়ে আগে কাজ করিনি, তাই অডিয়েন্স তৈরি, কন্টেন্ট এবং ক্রিয়েটিভ নতুন করে করতে হয়েছে। প্রোডাক্টের ইউনিকনেস আমাদের কাজ সহজ করে দিয়েছে। এই পেইজের সাথে কাজ করি প্রায় ৭ মাস এর বেশী সময়, সব সময় কম বেশী ভাল রেজাল্ট আসে, এবার ফাইনালি আলহামদুলিল্লাহ সুপার হিট।

আপনার ফেসবুক পেইজ বুস্ট করতে বা ফেসবুক মার্কেটিং এর ট্রেইনিং নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

 

২৩। বিস্তারিতঃ

সঠিক অডিয়েন্স টার্গেট করতে না পারলে ফেসবুককে দোষ দিবেন না প্লিজ। আজকে একটা ইন্টেরেস্টিং বিষয় শেয়ার করব। এখানে আমাদের একজন ক্লায়েন্টের নভেম্বর মাস থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সকল অ্যাড এর রেজাল্ট আছে। প্রায় সবগুলো ক্যাম্পেইনের কস্ট পার ম্যাসেজ .০৫ থেকে .০৮ এর ভেতরে। নভেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন অকেশন, নিউ ইয়ার, ফেসবুক এর ডিটেইল টারগেটিং অপশন রিমুভ সহ নানান ঝড় গিয়েছে কিন্তু এই অ্যাড এর রেজাল্ট এবং এর থেকে সেল এর তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি আলহামদুলিল্লাহ।

ক্রিয়েটিভ এবং কন্টেন্ট ছিল একদম এভারেজ, বাজেট ও খুব বেশী নয় এবং প্রত্যেকটা টার্গেটিং হয়েছে কোল্ড অডিয়েন্সকে কেন্দ্র করে, সোজা ভাষায় একদম নতুন অডিয়েন্স এর কাছে অ্যাড গিয়েছে। জায়গা মত টার্গেট হওয়ার কারণে ম্যাসেজও এসেছে, বিক্রি ও হয়েছে।

এখন আরেকটা বিষয় বলি, আমাদের আরেকজন ক্লায়েন্ট এর ক্ষেত্রে ঘটেছে উলটো, এক মাসের মধ্যে আগের .০৬ থেকে এখন কস্ট পার ম্যাসেজ হয়ে গিয়েছে .১২। কারণ হিসেবে আমার ধারণা, টার্গেট অডিয়েন্স ছিল আইফোন ব্যবহারকারীরা। তবে আমি নিশ্চিত ট্রায়াল এন্ড এরর এর মাধ্যমে হলেও .১২ থেকে .০৬ এ ফেরত আসা সম্ভব যেটা এই ছবি তে দেয়া ক্লায়েন্ট এর সাথে হয়েছিল। জানুয়ারি মাসে কষ্ট পার ম্যাসেজ .১৫ থেকে এখন আবার .০৬ এ চলে এসেছে। কারণ, ফেসবুকের আপডেট এর দোহাই দিয়ে বসে থাকলে হবে না, ক্লায়েন্ট এবং সার্ভিস প্রভাইডার উভয়কেই ট্রায়াল এন্ড এরর করার মানসিকতা রাখতে হবে। আগামী সপ্তাহেই কস্ট পার ম্যাসেজ বেড়ে যাওয়া ক্লায়েন্ট এর ক্যাম্পেইন শুরু হবে, দেখা যাক খেলা কেমন জমে। আল্লাহ্‌ ভরসা ❤

ছবির অ্যাড কোন ধরণের প্রোডাক্টের ছিল জিজ্ঞাসা করে লজ্জা দিবেন না 🤪 নাম বললে চাকরি থাকবে না 😅

২৪। বিস্তারিতঃ

⚡ ১২,০০০+ টাকার অর্ডার, বিনিয়োগ মাত্র ১০ ডলার। আলহামদুলিল্লাহ! অনেক পেইজ যখন একই রকম প্রোডাক্ট নিয়ে ভাল রেজাল্ট আনতে বেগ পাচ্ছে, সেখানে একটু ইউনিক প্রোডাক্ট এবং ভাল কোয়ালিটি হলেই ফেসবুক বুস্ট থেকে ভাল রেসপন্স পাওয়া সম্ভব। এর একটি উদাহরণ এই পেইজটি। আগে অন্যান্য সার্ভিস প্রভাইডার দিয়ে বুস্ট করিয়ে আপুর আগের পেইজটি রেস্ট্রিক্টেড করে দেয়। আপুর জন্য আমরা নতুন প্রোফাইল, নতুন পেইজ, লোগো, পেইজ সেটাপ, অপটিমাইজেশন সব করে দেই। আর বুস্ট করি মাত্র ১০ ডলারের, ৫ ডলার এর টারগেটেড লাইক ক্যাম্পেইন এবং ৫ ডলারের ম্যাসেজ ক্যাম্পেইন।

তবে এটার অডিয়েন্স টার্গেট করতে গিয়ে অনেক ভেবেছি। একদম নতুন পেইজ থেলে সেল জেনারেট করা খুব খুব কঠিন। অনেক ভাবনা চিন্তা করে একটি সম্পূর্ণ নতুন অডিয়েন্স টার্গেট করি। আপুর হাতের কাজ মাশা আল্লাহ ভাল হওয়ায় আমাদের কাজ সহজ হয়ে যায়।

৫ ডলারের ম্যাসেজ ক্যাম্পেইন থেকে ৫ দিনে ম্যাসেজ আসে ১৩৪ টি। আর বাকি ৫ ডলারে লাইক আসে ৪২৬ টি টোটাল রিচ ১০,০০০+। বুস্ট শেষে টোটাল অর্ডার ১২,০০০ টাকার বেশী। প্রোডাক্ট হচ্ছে ইউনিক হ্যান্ড মেইড ক্রাফট প্রোডাক্ট।

যে সকল ক্লায়েন্ট আমাদের থেকে ভাল রেস্পন্স পান না, তারা মন খারাপ করবেন না, আমরা চেষ্টার কোন ত্রুটি করি না, কোন একটা কারণে জাস্ট ব্যাটে বলে মেলে না।

যাই হোক, Continto হতে পারে আপনার অনলাইন ব্যবসায়কে বড় করার সহায়ক। যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

২৫। বিস্তারিতঃ

✨আলহামদুলিল্লাহ। ৪ ডলারে ১০,০০০ টাকার উপর অর্ডার মাত্র ১ দিনে! ছেলেদের ক্লদিং আইটেমে সেল পাওয়া আমার কাছে সব সময় বেশ কঠিন মনে হয়েছে। অবশেষে তাক লাগানোর মত একটি রেজাল্ট পেলাম। অবশ্যই প্রোডাক্ট কোয়ালিটি, টাইমিং এবং পেইজে সেলিং কন্টেন্টের পাশাপাশি এঙ্গেজিং কন্টেন্ট এর সমন্বয়েই এরকম ফলাফল সম্ভব। ক্রেডিট সকলের।

৪ ডলারে ৫৬+ ম্যাসেজ। ১০,০০০ টাকার উপর অর্ডার ১ দিনে। এভারেজ প্রোডাক্ট প্রাইস এভারেজে ৫০০-৬০০। পিকচার আভি বাকি হ্যায়। যে সকল ক্লায়েন্টদের রেসপন্স এখনো এরকম আসে নি, একদিন আসবে ইন শা আল্লাহ।

Continto হতে পারে আপনার অনলাইন ব্যবসায়কে বড় করার সহায়ক। যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

 

২৬। বিস্তারিতঃ

⚡আলহামদুলিল্লাহ, new achievement! গত দুইটি বুস্ট মিলিয়ে টোটাল সেইল ৬৫,০০০ টাকার ওপর, ইউনিট বিক্রয় হয়েছে ৬৫+, লাস্ট বুস্ট ছিল মাত্র ৩,০০০ টাকার মত, সেখান থেকে টোটাল সেইল ২৫,০০০+, ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞেস করলাম রেসপন্স কেমন, ক্লায়েন্ট বলে “ষ্টক আউট”। আহ মধু মধু। প্রোডাক্ট হচ্ছে Authentic and High End mobile phone gadgets.

Continto হতে পারে আপনার ব্যবসায়কে বড় করার সহায়ক, যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

২৭। বিস্তারিতঃ

⚡ ৪ ডলারে সোল্ড আউট। প্রোডাক্টের ধরণ – ফিমেল ক্লদিং আইটেম। আমার করা সবচেয়ে ভাল ম্যাসেজ ক্যাম্পেইন মনে হচ্ছে এটাই। মাত্র ৪.৮৫ ডলারে সর্বমোট ম্যাসেজ ৪১৩ টা। কস্ট পার ম্যাসেজ ০.০১ (!)। ইউনিক প্রোডাক্ট, সুন্দর পরিবেশন এবং স্পট অন টার্গেটিং এর কম্বিনেশন আনতে পারে ভাল ফলাফল, আলহামদুলিল্লাহ।

 

সিমিলার প্রোডাক্টের আরেকটা ক্যাম্পেইন চলছে .০৩ কস্ট পার ম্যাসেজে। সব মিলিয়ে টোটাল বিক্রয় ৩০+ ইউনিট। প্রোডাক্টের এভারেজ দাম ২,০০০ টাকা। অর্ডার আরও আসুক ইন শা আল্লাহ্‌, দোয়া থাকল। ইস! সব ক্যাম্পেইন যদি এরকম হত 🙁 Continto হতে পারে আপনার অনলাইন ব্যবসায়কে বড় করার সহায়ক। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

 

 

২৮। বিস্তারিতঃ

⚡৭ দিনে ৪৫+ ইউনিট সোল্ড আউট! প্রোডাক্ট এর ধরণ – Baby Products, টোটাল খরচ ২০ ডলার, ইউনিট বিক্রয় হয়েছে ৪৫+ এবং প্রত্যেক ম্যাসেজের জন্য খরচ হয়েছে মাত্র ০.০৮। অডিয়েন্স টার্গেট নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট চালাতে গিয়ে প্রথম ৩ দিন রেসপন্স আনতে পারিনি, রেজাল্ট দেখে অডিয়েন্স আপডেট করে দেয়ার পর আলহামদুলিল্লাহ। ক্লায়েন্ট খুশ, তো হাম ভি খুশ ❤ ইশ! যদি সব ক্যাম্পেইনে এরকম রেজাল্ট আসত 💁

Continto হতে পারে আপনার ব্যবসায়কে বড় করার সহায়ক, যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

উপরের প্রায় ২৭ ধরণের প্রোডাক্টের অ্যাডের রেজাল্ট আপনাদের সাথে তুলে ধরলাম। বলে রাখি, একটা দুইতা বুস্ট থেকেই যে একবারে এরকম রেজাল্ট চলে আসবে এটার কোন গ্যারান্টি নেই, তবে ইন শা আল্লাহ্‌ ধৈর্যয় ধরে কাজ করার সময় দিলে আপনারা নিরাশ হবেন না।

আমাদের সার্ভিস নিতে আমাদের পেইজে ম্যাসেজ দিন অথবা এখানে ক্লিক করুন 

content marketing, Continto

সঠিক উপায়ে কন্টেন্ট মার্কেটিং এর উপকারিতা

পেইজের রিচ কম, আগের মত ম্যাসেজ নেই, ম্যাসেজ আছে তো সেল নেই, পেইজের কাস্টমারদের এঙ্গেজমেন্ট কম, ডিস্কাউন্ট প্রাইস দেয়ার পরেও কাস্টমার প্রোডাক্ট কিনতে আগ্রহী না, এরকম সমস্যা আমাদের অনেকেরই। এর অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে সঠিকভাবে কন্টেন্ট মার্কেটিং করতে না পারা।

সহজ করে বুঝিয়ে দেই কন্টেন্ট মার্কেটিং বলতে কি বোঝাতে চাচ্ছি। কন্টেন্ট হচ্ছে আপনার ব্যবসায়ের পণ্য বা সেবা নিয়ে তৈরি ছবি, ভিডিও বা পোস্ট যার মাধ্যমে আপনি আপনার ক্রেতার সাথে যোগাযোগ করবেন।

আমাদের দেশে বেশীরভাগ ফেসবুক ভিত্তিক পেইজের কন্টেন্ট যদি দেখেন, দেখবেন শুধু কাস্টমারকে কেনার জন্য বলা হয়, খুব কম পেইজ আছে যারা এমন কন্টেন্ট দেয় যেটা কাস্টমারদের উপকারে আসবে, যেটা তারা মনে রাখবে বা পরে ব্যবহারের জন্য সেইভ করবে।

এবং যখন আমরা শুধু সেল পোস্ট দিতে থাকব পেইজ থেকে তখন পেইজের রিচ কমে যাওয়া, এঙ্গেজমেন্ট কমে যাওয়া, ম্যাসেজ থেকে সেল না আসা, বেশি দাম দিয়ে প্রোডাক্ট কেনার প্রতি অনীহা থাকবেই। এবং সবচেয়ে জরুরী বিষয়, আপনার প্রতিযোগী আর আপনার মাঝে কোন তফাৎ থাকবে না।

আসেন সংক্ষেপে জেনে নেই, সঠিক উপায়ে কন্টেন্ট মার্কেটিং এর উপকারিতা।

বেশি রিচ এবং এঙ্গেজমেন্ট

ফেসবুক অ্যালগরিদমের একটা নিয়ম হচ্ছে কোন পোস্টে একবার আপনি রিয়াক্ট করলে বা কমেন্ট করলে সেই ব্যক্তি বা পেইজের পোস্ট আপনার সামনে পুনরায় আসবে। আপনার পেইজে যদি শুধু প্রোডাক্ট এর ছবি দিয়ে ভরায় রাখেন, রিয়াক্ট এবং কমেন্ট কম আসবে, বরং আপনি যদি কোন তথ্যবহুল, বা ইমোশনাল বা ফানি কন্টেন্ট দেন সেক্ষেত্রে রিয়াক্ট এবং কমেন্ট সাভাবিকভাবে বেশি আসবে, এবং এরপর যখন আপনি আবার পোস্ট করবেন অটোম্যাটিক সেই পোস্ট এর রিচ বেশি হবে। সুতরাং আপনার কন্টেন্ট এমন হতে হবে যাতে কাস্টমার রিয়াক্ট এবং কমেন্ট এর পরিমাণ বাড়ে। গতানুগতিক ধারা থেকে বের হয়ে আসুন।

অর্গানিক সেল

যে সেল করার পেছনে অ্যাড রান বা বুস্ট করে অর্থ বিনিয়োগ করতে হয় না, সেরকম সেলকে অর্গানিক সেল বলা হয়। আপনার কন্টেন্ট এর কোয়ালিটি, ভ্যারিয়েশন এবং ফ্রিকুয়েন্সি এগুলো যত বেটার হবে আপনার অরগানিক সেল আসার সম্ভাবনা বেশি। আপনি যদি আর সবার মত করেই শুধু সেল পোস্টে ফোকাস থাকেন, কন্টেন্ট এর প্রেজেন্টেশন ভাল না করেন, তাহলে আপনার সেল বাড়বে কিভাবে? সঠিক উপায়ে পরিকল্পিত উপায়ে কন্টেন্ট তৈরি করে প্রচার করতে পারলে আপনার সেল বাড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

ফানেল মার্কেটিং

সহজ ভাষায় ফানেল মার্কেটিং হচ্ছে কন্টেন্ট এবং অ্যাড এর সাহায্যে আপনার কাস্টমার এর সাথে কমিউনিকেট করা যাতে সে আপনার প্রডাক্ট সম্পর্কে জানা থেকে শুরু করে শেষ অব্দি ক্রয় করতে পারে। টেকনিক্যাল টার্মে এটাকে বলা হয় কাস্টমার জার্নি। অর্থাৎ আপনার কাস্টমার জার্নি এর প্রতিটি ধাপে আপনার কাস্টমারের সাথে যোগাযোগের জন্য কন্টেন্ট তৈরি এবং প্রচার করাকে ফানেল মার্কেটিং বলে। এখন আপনার যদি সেই পরিমাণ কন্টেন্ট না থাকে তাহলে আপনি ফানেল তৈরি করবেন কিভাবে? শুধু অ্যাড দিয়েও ফানেল তৈরি করা সম্ভব তবে প্রপার কন্টেন্ট না থাকলে আপনার ফানেল পরিপূর্ণভাবে সেল আনতে পারবে না।

ব্র্যান্ডিং

অনলাইন বিজনেসে এখন প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। এরকম প্রতিযোগিতার মাঝে টিকে থাকতে হলে আপনার প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ডিং জরুরী ভূমিকা পালন করবে। সঠিক ধরণের কন্টেন্ট না থাকলে আপনি ব্র্যান্ডিং এ পিছিয়ে যাবেন। শুধু কন্টেন্ট এর ধরণ নয়, কন্টেন্ট এর কোয়ালিটি এর উপর নির্ভর করবে আপনার কাস্টমার আপনার প্রতিষ্ঠানকে একটি আলাদা ব্র্যান্ড হিসেবে চিনবে কিনা। আপনার লোগো, কভারফটো, ওয়েবসাইট এর ল্যান্ডিং পেইজ, ফেসবুক পেইজের কন্টেন্ট, ইন্সটাগ্রাম এর প্রেজেন্টেশন সবকিছুর কন্টেন্ট আপনার ব্র্যান্ডিং বাড়াতে পারে এবং কমাতেও পারে।

লং টার্ম গেইনার

আপনি যদি সঠিক উপায়ে কন্টেন্ট মার্কেটিং করেন, আপনি লং টার্মে গেইনার হবেন। আপনার ব্র্যান্ডিং, কাস্টমার এর এঙ্গেজমেন্ট, আপনার সেলস ভলিউমে এটার পজিটিভ প্রভাব পড়বেই। বিজনেস এ শর্ট টার্ম গেইন যেমন থাকে, লং টার্ম গেইন ও থাকে। প্রপার কন্টেন্ট মার্কেটিং যে সকল বিজনেস করতে পারে, তাদের বিফলতার থেকে সফলতার হার বেশি।

আপনার ব্যবসায়ের কন্টেন্ট মার্কেটিং করার জন্য সঠিকভাবে শিখে, বুঝে, বিষয়গুলো প্রয়োগ করুন। তাহলে আপনার ব্যবসায়ের সফলতা আসবে ইন শা আল্লাহ্‌

পুরো লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

নাফিস কাওসার – ফাউণ্ডার – Continto

 

New online business, Continto, Nafees Kausar

নতুন অনলাইন বিজনেসে যে চারটি ভুল বেশি হয়

অনলাইন বিজনেস তো শুরু অনেকেই করে কিন্তু শেষে টিকে থাকে কয়জন? আমাদের চোখের সামনেই কত অনলাইন বিজনেস আসল এবং গেল। কিছু বিজনেস অনেকদিন চলার পর হাওয়া, কিছু ঠিকমত শুরু হওয়ার আগেই পগার পার। এগুলো কেন হয়? এদিকে একদল বলছে অনলাইন ব্যবসায় থেকে লাখ লাখ টাকার সেল এবং একই সময়ে অন্যরা গুটিয়ে নিচ্ছে বিজনেস, আসলে কোনটা বাস্তব? এবং যারা ব্যবসায় গুটিয়ে নিচ্ছে, তার কারণ বা কি? আজকে আমরা লিখব নতুন অনলাইন ব্যবসায় নিয়ে, কারণ অনলাইজন ব্যবসায় এর ক্ষেত্রে প্রথম ৩-৬ মাস অনেক বেশি জরুরী এর মধ্যে যদি একটি ধারাবাহিক ফলাফল না আসে তাহলে অনলাইন ব্যবসায় ধরে রাখে অনেক কঠিন। আজকে জানব নতুন অনলাইন বিজনেস খোলার পর যে চারটি ভুল সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে।

পেইজ খুলে রেখে দেয়াঃ

অনেকেই আছে হুজুগের বসে হুট করে একটা পেইজ খুলে রেখে দেয়, ভাবে প্রোডাক্ট এনে নেই তারপর শুরু করব, বা ঈদের সময়ে শুরু করব ইত্যাদি। একটা ফেসবুক পেইজ খোলার পর যদি মাস খানেক এমনি রেখে দেয়া হয় এটা কখনই পেইজের হেলথ এর জন্য ভাল না। সুতরাং, আপনার প্রোডাক্ট, পোস্ট, টাকা সব কিছু রেডি না হওয়া পর্যন্ত পেইজ খোলার দরকার নেই। পেইজ খুলে সেই পেইজ যদি ইন্যাকটিভ রাখেন এর থেলে পেইজ না থাকা ভাল। সুতরাং একটা পেইজ খুলে রেখে দিবেন না, বরং যখন আপনি পুরদমে ব্যবসায় করতে প্রস্তুত হবেন তখন পেইজ খুলবেন এবং একটিভ থাকবেন, এর আগে না। নতুন পেইজ খুলে রেগুলার পোস্ট দেয়া, অ্যাড রান করা, লাইভ করা ইত্যাদি সব কিছু শুরু করতে হবে। পেইজ খুলে রেখে দিলে হবে না, পেইজ রানিং রাখতে হবে।

পরিকল্পনার অভাবঃ

একটা কথা আছে, কঠিন প্রশিক্ষণ, সহজ যুদ্ধ। অর্থাৎ, একটা কাজের পেছনে আপনি যত সময় এবং শ্রম দিবেন সেই কাজে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। অনেক অনলাইন বিজনেস থাকে সঠিক পরিকল্পনা ছাড়াই শুরু হয়।

এই পরিকল্পনা যে কোন ধরণের পরকিল্পনাই হতে পারে। ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং, মার্কেটিং প্ল্যানিং, সেলস প্ল্যানিং কিছু ছাড়াই শুরু হয়ে যায় অনলাইন বিজনেস। এভাবে করে হয়ত আজকে থেকে ৭-৮ বছর আগে অনলাইন ব্যবসায় করা সম্ভব হয়েছে কিন্তু বর্তমানে এই প্রতিযোগিতামুলক মার্কেটে কখনই “যা হবে দেখা যাবে”, “অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা” এরকম মাইন্ডসেট নিয়ে ব্যবসায় করা যাবে না।

পুরো ব্যবসায়ের পরিকল্পনা সমেত ব্যবসায় নামলে আপনার সফলতা আসার সম্ভবনা বেশি। তাই প্রস্তুতি নিন, শিখুন, জানুন, প্রয়োগ করুন, এবং যেখানে প্রয়োজন সেখানে কোন প্রতিষ্ঠান বা এক্সপার্ট এর পরামর্শ নিন।

শর্টকাট এবং সস্তা খোঁজাঃ

জাতিগতভাবে আমরা সব সময় শর্টকাট ব্যবহার করতে ভালবাসি। অনলাইন বিজনেস করতে এসেও অনেককে দেখেছি একই রকম মানসিতকা নিয়ে কাজ করতে। হুট করে পেইজে লাখ লাখ লাইক লাগবে, আমার ভিডিও ভাইরাল হতে হবে, অন্যের কাস্টমার আমার পেইজে আনতে, দুই মাসের মধ্যেই লাখ টাকার সেল আনতে হবে ইত্যাদি।

এছাড়াও আমাদের মাঝে ব্যবসায়ের টাকা ঢালার পেছনে অনীহা কাজ করে। ভেজাল খেলে যেমন শরীরের ক্ষতি হয়, ভেজাল সার্ভিস নিলে আপনার ব্যবসায়ের ক্ষতি হয়। সার্ভিস নেয়ার ক্ষেত্রে সস্তা খুঁজতে খুঁজতে অনেকেই শিকার হয় প্রতারণার, ভেজাল সার্ভিস এবং অতঃপর পেইজ হারানো, রেস্ট্রিকশন হয়ে যাওয়া, বট লাইক দিয়ে পেইজ ভর্তি হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় পড়তে হয়।

প্রথম থেকেই শর্টকাট এবং সস্তা না খুঁজে যদি প্রপারভাবে আগাতেন তাহলে আসলেই এগিয়ে থাকতেন।

ধৈর্যয়ের অভাবঃ

অনলাইন বিজনেস সহজ না। এখানে বিপুল পরিমাণ প্রতিযোগিতা এবং দিন দিন এটা বাড়বে। এখানে রাতারাতি রেজাল্ট সব সময় আসবে না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির “লাখ এবং কোটি টাকার ব্যবসা” এর দাবি পরখ করে দেখবেন। এসব দেখে অনেকের মধ্যে ধারণা চলে আসে যে অনলাইন বিজনেস থেকে দ্রুত টাকা উঠানো সম্ভব। তখন অল্প সময়ে অনেক কিছু লাগবে এই চিন্তায় মন আর ধৈর্যয় রাখতে পারে না।

সিদ্ধান্ত হীনতায় ভোগা, বার বার ডিসিশন চেঞ্জ করা, অস্থির থাকা, সার্ভিস প্রভাইডার দের সময় না দেয়া, তাড়াহুরো করা, দুই দিন পর পর অ্যাড টারগেটিং চেঞ্জ করা, বুস্ট থেকে সেল না আসলে বুস্ট কাজ করে না মনে করা ইত্যাদি করে অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষতি করে নিজের ব্যবসায় এর।

জানি কথাগুলো শুনতে ভাল লাগে না কিন্তু এটাই সত্যি। গত ৫ বছর ধরে ৬০০+ প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করে, ১০+ ব্যাচের ট্রেইনিং করিয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতার আলকেই যা দেখেছি সেটা শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে।

পুরো লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

নাফিস কাওসার – ফাউন্ডার – Continto

Facebook Ad Policy

ফেসবুক অ্যাড পলিসি সম্পর্কে কেন জানবেন?

কয়েক মাস আগে মালায়শিয়ার Lungkawi থেকে সিটিতে আসার জন্য একটি ফ্লাইট বুক করেছিলাম। এয়ারপোর্টে গিয়ে পরলাম মহা বিপদে। দেখি আমাদের ফ্লাইটের সাথে লাগেজ এর অপশননেই, শুধু হ্যান্ড ক্যারি নেয়া যাবে। এদিকে আমাদের সাথে বড় বড় তরতাজা দুটি লাগেজ। এবং প্লেইন বোর্ডিং এর সময় ১০ মিনিটের মত হাতে আছে। অন্য কোন উপায় না পেয়ে দুইটি লাগেজের একটা মোটা অঙ্কের টাকা অতিরিক্ত দিয়ে সেগুলো প্লেইনে ওঠানো সম্ভব হয়েছিল। এই ঘটনাটা কেন বললাম জানেন? অনেকেই অনলাইন বিজনেস শুরু করে, অনলাইন বিজনেস এর নিয়ম না জেনেই। যেহেতু ফেসবুক অনলাইন বিজনেস এর প্রচারের অন্যতম একটি মাধ্যম, এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবসা করার আগে অবশ্যই এর নিয়ম কানুন জেনে নামা উচিত। নাহলে আমার মত ভুল করতে হবে, দিতে হবে অনেক রকমের মাশুল। আসেন জেনে নেই, ফেসবুক অ্যাড পলিসি সম্পর্কে না জানলে কি কি মাশুল দিতে হতে আপনাকে।

১। অ্যাড রিজেক্ট হওয়াঃ

ফেসবুক এর অ্যাড পলিসি হচ্ছে মূলত নিশ্চিত করে প্রতিটি পেইজ গুণগত মানসম্পন্ন অ্যাড যেন ফেসবুকে দেয়। এমন কোন প্রোডাক্ট, সেবা, ভাষা, ছবি বা ভিডিও যেন ব্যবহার না করা হয় যেটা শোভনীয় নয় বা মানুষের জন্য ক্ষতিকর। অর্থাৎ যে অ্যাড ফেসবুকের পলিসি অনুযায়ী দেয়া হবে না, সেই অ্যাড ফেসবুক রিজেক্ট করে দিবে। রিজেক্ট করে দেয়ার অর্থ হল, এই ছবি, ভিডিও, লেখা ব্যবহার করে এই অ্যাড আর দেয়া যাবে না, যদি বার বার দেয়, বার বার রিজেক্ট করবে। অর্থাৎ ফেসবুকে সঠিকভাবে অ্যাড দেয়ার জন্য আপনার অবশ্যই অ্যাড এর পলিসি জানতে হবে, যদি না জেনে অ্যাড দেন সেক্ষেত্রে আপনার অ্যাড রিজেক্ট হবে। অল্প পরিমাণে অ্যাড রিজেক্ট হলে সেটা সহনীয়, কিন্তু অনেক পরিমাণে অ্যাড রিজেক্ট ডেকে আনতে পারে বিপত্তি। কি বিপত্তি? পরের পয়েন্টটা দেখুন।

২। পেইজ রেস্ট্রিক্টেশনঃ

পেইজ রেস্ট্রিকশন হওয়া মানে, আপনি ঐ ফেসবুক পেইজ দিয়ে সব কিছু করতে পারবেন, শুধু অ্যাড দিতে পারবেন না। পোস্ট করতে পারবেন, ম্যাসেজ দিতে পারবেন, লাইভে আসতে পারবেন কিন্তু অ্যাড বা বুস্ট দিতে পারবেন না।

একটা পেইজ রেস্ট্রিক্টেড হওয়ার অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি হচ্ছে অনেক বেশী পরিমাণ অ্যাড রিজেক্ট হওয়া। মনে করেন আপনি নতুন ফেসবুক পেইজ খুলেছেন এবং আপনি ফেসবুক অ্যাড পলিসি সম্পর্কে না জেনেই মনের মাধুরি মিশিয়ে অনেকগুলো অ্যাড দেয়ার চেষ্টা করলেন, বার বার একই ভুল করতে থাকলেন, এতে করে আপনার পেইজ রেস্ট্রিক্টেড হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

শুধু তাই নয়, আমরা যেহেতু অনেক ক্লায়েন্ট নিয়ে কাজ করি, এরকম অনেককে পেয়েছি লাখ লাখ টাকা খরচ করে প্রডাক্ট ষ্টক করেছে, অথচ ঐ ধরণের প্রোডাক্ট ফেসবুকে সেল করাই অ্যালাউড না! যদি তারা ফেসবুক এর পলিসি জেনে ব্যবসা শুরু করত, তাহলে এই দিন তাদের দেখা লাগত না।

এছাড়াও, অনেকের বার বার লম্বা সময় ধরে অনেক পরিমাণ অ্যাড রিজেক্ট হওয়াতে রেস্ট্রিক্টেড হয়ে গিয়েছে তিলে তিলে গড়ে তোলা পেইজগুলো।

৩। অ্যাড অ্যাকাউন্ট ডিসাবেল

প্রতিটি ফেসবুক পেইজ একটি অ্যাড অ্যাকাউন্টের সাথে লিংক করা থাকে অটো। যখন পেইজের অ্যাড রিজেক্ট হয়, সেটার প্রভাব গিয়ে পরে পেইজের উপর এবং অ্যাড অ্যাকাউন্টের উপর।

বার বার এবং বেশী পরিমাণে যখন কোন অ্যাড অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত থাকা পেইজে অ্যাড রিজেক্ট হতে থাকে তখন সেটা সেই অ্যাড অ্যাকাউন্টের হেলথ এর জন্য খারাপ। যদি এটার পরিমাণ বেড়ে যায় তখন অ্যাড অ্যাকাউন্ট ডিসাবেল হয়ে যায় এবং সেটা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত সেই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে কোন অ্যাডও দিতে পারবেন না।

এই সকল বিপত্তি এড়ানো সম্ভব যদি আপনি নিজে বা আপনার অ্যাড যে বা যারা রান করছে তারা অ্যাড পলিসি সম্পর্কে ভালমত জানে। আমাদের দেশের মানুষের চিকন বুদ্ধি এত বেশি যে তারা এই ফেসবুক পলিসিকে ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করে। এটা হয়ত সাময়িকভাবে অ্যাডটা পার পেয়ে যাবে, কিন্তু যখন ফেসবুক তাদের অ্যাড রিভিউ সিস্টেম পাকাপোক্ত করবে, তখন কিন্তু ধরা খেতে হবে। শেষ হয়ে যাওয়া অ্যাড ও রিজেক্ট করে ফেসবুক, এরকম উদাহরণ ও আছে।

সুতরাং, অ্যাড পলিসি সম্পর্কে জানুন এবং জেনে অনলাইন বিজনেস পরিচালনা করুন।

পুরো লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

নাফিস কাওসার – ফাউন্ডার – Continto 

 

Nafees Kausar

আপনার অনলাইন বিজনেস এর জন্য কোন সোশ্যাল মিডিয়া কাজে দিবে?

“আমার ইন্সটাগ্রামটা অ্যাক্টিভ নেই”

 

“টিকটকের নাচ গান আমার ভাল লাগে না”

 

“আমার একটা গ্রুপ আছে বাট কিছু করা হয় না”

 

এই ধরণের কথা আমাদের সবার ক্ষেত্রেই কম বেশী খাটে তাই না?

আজকে কথা বলব অনলাইন বিজনেস এর জন্য কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার একটিভ থাকা প্রয়োজন। আসুন জেনে নেই কিভাবে বুঝবেন কোন সোশ্যাল মিডিয়া আপনার বিজনেস এর জন্য কাজে দিবে।

চোখ যেখানে, আপনি সেখানে

“তুমি যেখানে, আমি সেখানে, তা কি জানো না?” শুনেছেন না এই গানটা? ঠিক এই গানের মত করে আপনার কাস্টমার এর চোখ যেখানে থাকবে আপনাকে সেখানে যেতে হবে।

আসলে ঘটনা হচ্ছে, বিজনেস করতে গেলে অনেক সময় নিজেদের ইচ্ছা, পছন্দ এবং কমফোরট এর বাইরে গিয়ে কিছু না কিছু করতে হয়। ধরেন আপনার ইন্সটাগ্রাম পছন্দ না, বা টিকটক ব্যক্তিগতভাবে আপনি ব্যবহার করেন না, কিন্তু আপনার কাস্টমার যদি ইন্সটাগ্রাম এবং টিকটকে গিয়ে সময় কাটায়, তাহলে কিন্তু আপনারও ওখানে উপস্থিত থাকা দরকার।

সুতরাং আপনি বোঝার চেষ্টা করুন আপনার কাস্টমার কোন ধরণের সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশী ব্যবহার করে। একটা বাস্তব উদাহরণ দেই। আমরা ইউ এস এ এবং ইউরোপের কিছু ক্লায়েন্ট এর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর কাজ করি। সেখানে ১৫ থেকে ২৪ বছরের কেউ ফেসবুক তেমন ব্যবহার করে না বললেই চলে। তারা বেশীর ভাগ স্ন্যাপচ্যাট, ইন্সটাগ্রাম এবং টিকটক ব্যবহার করে। সেখানে ফেসবুক ব্যবহার করে মূলত ৩০-৫০ বয়সের মানুষ। ১৫ বছরের কারও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকলেও সেটায় সে একটিভ না। কারণ সেখানে তার ফ্যামিলি মেম্বার আছে, তাদের ফ্রেন্ডলিস্টে রেখে তারা চাইলেই অনেক কিছু পোস্ট করতে পারে না। এই কারণসহ বিভিন্ন কারণে তারা ফেসবুক কম ব্যবহার করে।

এখন আপনি বোঝার চেষ্টা করুন আপনার কাস্টমার কোন ডেমোগ্রাফিতে এবং সেউ অনুযায়ী তার চোখ যেখানে, আপনি সেখানে চলে যাবেন। আপনার মন না চাইলেই যাবেন।

বাংলাদেশের কথা যদি বলি, ইয়াং জেনারেশন ফেসবুকের পাশাপাশি স্ন্যাপচ্যাট, ইন্সটাগ্রাম এবং টিকটক ব্যবহার করে, কিন্তু এখনো ফেসবুক খুবই কমন একটি প্ল্যাটফর্ম আমাদের দেশে। তবে হ্যাঁ বাইরের দেশে যে ট্রেন্ড একবার শুরু হয়, সেটা দেরিতে হলেও আমাদের দেশেও হবে। সুতরাং, বুঝিয়া করিবেন কাজ।

   আপনার প্রোডাক্ট কোন প্ল্যাটফর্ম এর জন্য সেটা বুঝুন

লিঙ্কড ইন এ যেমন জামা সেল হবে না, তেমনি টিকটক দেখে কেউ তার জমির বুকিং দিবে না। আপনি কি ধরণের প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করছেন তার উপর নির্ভর করবে আপনি কোন সোশ্যাল মিডিয়া তে একটিভ থাকবেন।

কিছু প্রোডাক্ট আছে যেগুলো যেকোন সোশ্যাল মিডিয়া এর জন্য প্রযোজ্য। যেমন ফ্যাশন এক্সেসরিজ, জুয়েলারি, শাড়ি, গ্যাজেট আইটেম ইত্যাদি। এবং কিছু কিছু প্রোডাক্ট আছে যেগুলো নির্দিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া এর জন্য বেশী ফিট। আপনার প্রডাক্ট কোন ধরণের কাস্টমার বেশী ব্যবহার করে সেই অনুযায়ী আপনি বাছাই করবেন কোন সোশ্যাল মিডিয়া তে আপনি সময় দিবেন।

মার্কেটিং এ যখন পড়তাম ওখানে একটা টার্ম ছিল “প্রোডাক্ট-মার্কেট ফিট” এখন সেটাকে একটু মডিফাই করে বলতে হচ্ছে “প্রোডাক্ট-মিডিয়া ফিট”। অর্থাৎ যে প্রোডাক্ট যে সোশ্যাল মিডিয়া এর জন্য ফিট তার সেখানে উপস্থিতি থাকা উচিত।

অরগানিক রিচ হাতছাড়া করবেন না

সম্পর্কের প্রথম দিকে যেমন মিল মহব্বত বেশী থাকে, একটা সোশ্যাল মিডিয়া পপুলার হওয়ার সময় প্রথম দিকে তেমন অরগানিক রিচ বেশী থাকে। অরগানিক রিচ বলতে টাকা পয়সা খরচ না করে রেগুলার কন্টেন্ট দিলেই কন্টন্টের প্রচার হয়। আপনার চারপাশে লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারবেন কোন সোশ্যাল মিডিয়া অরগানিক রিচ বেশী দিচ্ছে।

যখন এরকম দেখবেন, তখন সেটার অ্যাডভান্টেজ নেয়ার চেষ্টা করবেন। সেখানে যেভাবে, যেই ফরম্যাটে, যে ডিউরেশন এর কন্টেন্ট দিলে ভাল পারফর্ম করে, সেরকম কন্টেন্ট দিতে থাকবেন এবং অরগানিক রিচ কে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করবেন।

ফার্স্ট মুভার অ্যাডভান্টেজ

যদিও আমাদের দেশে সেরকম সুযোগ নেই, তারপরও যদি দেখেন আপনার প্রোডাক্ট নিয়ে কেউ কোন একটি নির্দিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়াতে কাজ করছে না, তাহলে সেখানে আপনি কন্টেন্ট ক্রিয়েট করে এবং এক্টিভ থেকে কিছু অ্যাডভান্টেজ পেতে পারেন। যাকে পড়াশোনার ভাষায় বলে ফার্স্ট মুভার অ্যাডভান্টেজ। যদিও এটি একটি নতুন প্রোডাক্ট কোন নতুন মার্কেটে আসার সাথে সম্পৃক্ত, কিন্তু আমরা সোশ্যাল মিডিয়া এর ক্ষেত্রেও এটা ব্যবহার করতে পারি। যে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার প্রোডাক্ট নিয়ে কেউ কাজ করছে না, সেখানে আপনি শুরু করে ফার্স্ট মুভার অ্যাডভান্টেজ নিতে পারেন।

সবগুলোর মুলে রয়েছে আপানার কাস্টমারকে আপনি কতটুকু চেনেন সেটা। সুতরাং আপনার কাস্টমারকে বোঝার চেষ্টা করুন এবং তাদেরকে বিহেভিওর বুঝে আপনার স্ট্রাটেজি ঠিক করুন।

পুরো লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

নাফিস কাওসার, ফাউন্ডার – Continto

 

Marketing ideas

মার্কেটিং এর ৫টি বিষয় যা ২০২৪ এ খুবই গুরুত্বপূর্ণ

মার্কেটিং বদলায়, কারণে অকারনে বদলায়। ব্যবসায়ের এই পরিবর্তনশীল দিকটির সাথে তালে তাল মিলিয়ে চলতে পারলে অনেক ব্যবসায় পায় সফলতা এবং তাল হারিয়ে ফেললে জোটে বিফলতা। আগামী ২০২৪ এ মার্কেটিং এর যে ৫টি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে তা নিয়ে আজকের লেখাটি।

১। কন্টেন্ট এর কোয়ালিটিঃ

যদি অনলাইন ব্যবসায়ের কথা চিন্তা করি, সবারই পেইজ আছে এবং আলটিমেটলি সবাই কম বেশী বুস্ট করে তার অনলাইন বিজনেসকে চলমান রাখতে সক্ষম। প্রতিযোগিতামূলক এই বাজারে শুধু অ্যাড রান করে, বাজেট বাড়িয়ে কাস্টমারের মনে এবং পকেটে জায়গা করে নেয়া সহজ হবে না।
আপনি আপনার পেইজে, ওয়েবসাইটে, অ্যাপে কি ধরণের কন্টেন্ট দিচ্ছেন, কি পরিমাণে দিচ্ছেন, কাদের জন্য দিচ্ছেন এবং কাদের নিয়ে দিচ্ছেন এগুলো আরও মুখ্য বিষয় হয়ে উঠবে। কন্টেন্টের কোয়ান্টিটি এবং কোয়ালিটি ২০২৪ এ অনেক গুরুত্ব পাবে। গথবাঁধা একই রকম ছবি দিয়ে, লাইভ করে, ভিডিও দিয়ে আপনার প্রতিযোগিতা থেকে আলাদা হতে পারবেন না, কাস্টমারের মনেও জায়গা করে নিতে পারবেন না। শুধু বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ছবি এবং ভিডিও দিতে থাকলে হবে না, অডিয়েন্স কে ভাবাতে হবে, হাসাতে হবে তবে না কান্দালেও চলবে। অডিয়েন্স এর মাথায় থাকার চেষ্টা করবেন, সেটা স্ক্রল করা থামাতে পারে এরকম পরিবেশন দিয়ে হোক, ঢালিউডের নায়কের ডিগবাজি দিয়ে হোক। অডিয়েন্স এর মনোযোগ কাড়বেন, আর টাকা গুনবেন।

২। ইনফ্লূয়েন্সার মার্কেটিংঃ

আগেই বলি, শুধু টপ লেভের কাউকে দিয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ করার নামই ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং না। এটা ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এর একটি অংশ মাত্র। পণ্যের পি আর পাঠানো, পেইড কন্টেন্ট তৈরি, ভিডিও অ্যাড তৈরি, প্রোডাক্ট রিভিউ করানো, কলাবরেশন করানো, লাইভ হোস্ট করানো সব কিছুই ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এর অংশ। যে উঠতি, তার পেছনে গণজোয়ার এ নেমে যাওয়াই শুধু না, আপনার প্রোডাক্ট বুঝে, অডিয়েন্স বুঝে একটা পরিকল্পিত অ্যাপ্রোচ নিয়ে আগালে লং টার্মে সফলতা পাবেন। নাহলে এক দুইটা পি আর পাঠিয়ে, আর ট্রেন্ডিং কাউকে দিয়ে লাইভ করিয়ে লাখ টাকার সেল না পেয়ে বলবেন “এগুলো কোন কাজের না”। আমার ক্লায়েন্টদের এবং ট্রেইনিং এর লার্নারদের সব সময় বলি, “সেল এনে দেয়া ইনফ্লুয়েন্সার দের কাজ না, আপনি যদি ভাবেন ৪০ হাজার টাকার লাইভ করিয়ে ২ লাখ টাকার সেল আনব, তাহলে আপনার হিসেবেই ভুল। ইনফ্লুয়েন্সারদের কাজ আপনার ব্র্যাণ্ড এর পরিচিতি বৃদ্ধি করা।
সুতরাং ২০২৪ এ সঠিকভাবে ইনফ্লুয়েন্সারদের সাথে কাজ করতে পারলে আপনি লাভবান হবেন, আপনার ব্র্যান্ড পরিচিত লাভ করবে এবং প্রতিযোগিতার মাঝে টিকে থাকতে পারবেন। তবে একটা বিষয় আমরা কাজ করতে গিয়ে লক্ষ্য করেছি সেটা হচ্ছে ইনফ্লুয়েন্সার এবং ক্লায়েন্ট দুই পক্ষের একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকাটা অনেক জরুরী। কন্টেন্ট তৈরি করে একটি জায়গায় পৌঁছানো যেমন কষ্টসাধ্য তেমনি একটি ব্যবসায় পরিচালনা করাও অনেক পরিশ্রমের একটি কাজ। একসাথে একই উদ্দেশ্যে কাজ করতে পারলে সবাই দিনশেষে লাভবান হবেন।

৩। AI এর ব্যবহারঃ

২০২৪ এ অনেক ক্ষেত্রেই আমরা AI এর ব্যবহার দেখতে পাব। এবং এ আই কে একটি টুল হিসেবেই দেখতে হবে। “আরে চ্যাট জিপিটি তো ৫ মিনিটে লিখে দেয়, কন্টেন্ট রাইটার দিয়ে কি হবে” এই ধারণা রেখে যদি এ আই ব্যবহার করতে থাকেন তাহলে ভুল করবেন। এ আই একটি টুল এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ আই কখনো মানুষের থেকে বেটার হতে পারবে না, দ্রুত হতে পারবে বাট বেটার না। তাই মনে করবেন না একজন এমপ্লয়ি কম রেখে এ আই দিয়ে কাজ চালাতে পারবেন। প্লাস একদম এ আই এড়িয়ে চললেও হবে না। এটি আপনার লাইফ সহজ করবে এবং তার কাজ এতটুকুই, এ আই এর সঠিক ব্যবহার করতে পারলে ২০২৪ এ অনেক আপনার ব্যবসায়ের প্রোডাক্টিভিটি এবং ক্রিয়েটিভিটি দুটিই উন্নত করতে পারবেন।

৪। Personalization/Customization:

বিদেশের ক্লায়েন্টদের জন্য যখন কাজ করি, তখন পার্সোনালাইজড মার্কেটিং এর অনেক কদর দেখতে পাই। অর্থাৎ আপনার অডিয়েন্স কে যতটা তার মত করে, তার ভাষায় এবং তার জন্য কমিউনিকেট করতে পারবেন, আপনার মার্কেটিং এর রিটার্ন তত ভাল হবে। গণ মার্কেটিং হচ্ছে ঢালাওভাবে মার্কেটিং করা আর পার্সোনালাইজড মার্কেটিং হচ্ছে যার জন্য যে কমিউনিকেশন দরকার সেটা করা।
শুধু কমিউনিকেশন না, পার্সোনালাইজড মার্কেটিং প্রোডাক্টের ক্ষেত্রেও বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করবে আসন্ন সময়ে। এবং শুধু পার্সোনালাইজড মার্কেটিং না, পার্সোনালাইজড প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস এর চাহিদাও বেশী। পার্সোনালাইজড প্রডাক্ট এর যে সকল ক্লায়েন্ট এর সাথে কাজ করছি, তাদের সব সময়েই সেলস এর একটি ধারা চলতে থাকে। যেটা আগামীতেও থাকবে।

৫। ক্রিয়েটিভ মার্কেটিংঃ

এই বিষয়টা শুধু অনলাইন ব্যবসায়ীদের জন্য নয়। বরং বড় বড় কোম্পানি এবং রাইজিং স্টার্ট আপ গুলো এর জন্য বেশী কার্যকরী। ভি এফ এক্স ব্যবহার করে বিভিন্ন ল্যান্ডমার্কে প্রোডাক্ট এর থ্রি ডি প্লেসমেন্ট ইউরোপ, আমেরিকা এবং ইন্ডিয়াতেও বেশ চল উঠেছে। আমাদের দেশে ডমিনজ পিজা এবং আড়ং কে এখন পর্যন্ত এরকম কাজ করতে দেখেছি যা অচিরেই অন্য ব্র্যান্ডগুলোও করবে, আমি মনে করি এই আস্নন বাণিজ্য মেলায় এরকম অনেক চমক আমরা দেখতে পাব।
এছাড়াও মেট্রো রেইল, এলিভেটেড একপ্রেসওয়ে, তিন নম্বর টার্মিনাল ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর নতুন ধারা যোগ করবে। টিভি, নাটক এবং সিনেমাতেও ধীরে ধীরে এই স্থানগুলো জায়গা করে নিবে এবং তার সাথেই যোগ হবে ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং এর মজার খেলা। বেঁচে থাকলে ২০২৪ এ এরকম অনেক ইন্টেরেস্টিং বিষয় দেখা যাবে।
পুরো লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
নাফিস কাওসার – ফাউন্ডার, Continto
Facebook boost, online business, Nafees Kausar

সবাই বুস্ট করলে কাস্টমার কার পণ্য কিনবে

অনলাইন ব্যবসায় দিনে দিনে কঠিন হচ্ছে এবং সামনে আরও হবে। যদি আপনি ভিন্নভাবে আপনার ব্যবসায় এর স্ট্রাটেজি সাজাতে পারেন, তাহলে এরকম একটি প্রতিযোগিতামূলক মার্কেটে আপনি টিকে থাকতে পারবেন, নাহয় ঝড়ে পরতে হবে। যখন সবাই ব্যবসা শুরু করে বুস্ট করে কাস্টমারের সামনে প্রোডাক্ট নিয়ে যাবে, তখন কাস্টমার কার প্রডাক্টটি কিনবে? আজকে লেখায় আলোচনা করব কিভাবে আপনার অনলাইন বিজনেস প্রতিযোগিতা থেকে আলাদা করবেন।

কি করবেন সেটা বলার আগে বলে নিতে চাই কি করবেন না।

প্রোডাক্টের দাম কমিয়ে দিয়ে ব্যবসা শুরু করা একটি ভুল সিদ্ধান্ত। বেশীর ভাগ অনলাইন বিজনেস এর প্রাইসিং স্ট্রাটেজি হচ্ছে, মার্কেটে যে দামে বিক্রি হচ্ছে এর থেকে কম দামে সেল করা। আমরা যখন বিবিএ, এম বি এ পড়ি তখন আমাদেরকে বিভিন্ন ধরণের প্রাইসিং স্ট্রাটেজি শেখানো হয়, এর মধ্যে একটি হচ্ছে কম্পিটিটিভ প্রাইসিং। কিন্তু আমাদের দেশে ৯০% অনলাইন বিজনেস এই চিন্তার বাইরে যেতেই পারে না।

আপনি যখন প্রাইসিং কমিয়ে ব্যবসা শুরু করছেন তখন আপনি আসলে প্রোডাক্টের ক্ষতি করছেন। মনে করেন একটা প্রডাক্ট যা বাজার মূল্য ২,০০০ টাকায় বিক্রি করছে। আপনি নতুন ব্যবসা শুরু করছেন আপনার ঘর থেকে, কোন ধরণের বড় বিনিয়োগ ছাড়া, অল্প কিছু প্রডাক্ট কিনে। আপনি প্রোডাক্টের প্রাইস রাখলেন ১,৫০০। কয়েকদিন পর আরেকজন অনলাইন ব্যবসায়ে নামল। সে আরও কম প্রোডাক্ট এবং পুঁজি নিয়ে শুরু করল এবং “মার্কেট ধরার” জন্য সে প্রোডাক্টের প্রাইস কমিয়ে দিয়ে করল ১,২০০ টাকা। এখন দেখেন, যে প্রতিষ্ঠান ২,০০০ টাকায় বিক্রয় করত সে কি এখন আগের মত কাস্টমার পাবে? না, কারণ আমাদের দেশের কাস্টমার সব সময় সস্তা খুঁজে।

সুতরাং দাম কমানো অনলাইন ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে একমাত্র স্ট্রাটেজি হতেই পারে না। বরং মার্কেটে যে দামে প্রোডাক্ট বিক্রি হচ্ছে তার কাছা কাছি একটি দাম রেখে প্রাইসিং স্ট্রাটেজি ঠিক করুন।

এখন বলব কিভাবে আপনি প্রতিযোগিতার মাঝে আপনার ব্যবসায়কে ভিন্ন করে তুলতে পারবেন।

১। আপনার পেইজের কন্টেন্ট এর মাধ্যমে

আপনি কিভাবে আপনার পেইজ সাজিয়েছেন, কি কি ধরণের কন্টেন্ট দিচ্ছেন, কি পরিমাণে দিচ্ছেন, প্রোডাক্ট এর পরিবেশন কেমন সেগুলো মুখ্য বিষয়ে পরিণত হচ্ছে। আমার ট্রেইনিং এ এবং ক্লায়েন্ট দের সব সময় বলি, একটি অ্যাড এর কন্টেন্ট যদি খারাপ হয়, তাহলে টারগেটিং যতই ভাল হোক না কেন, অ্যাড থেকে ভাল ফলাফল আনা অসম্ভব। তাই আপনার পেইজের কন্টেন্ট এর উপর জোর দিন। গতানুগতিক ধারা থেকে বের হয়ে আসুন।

২। ব্র্যান্ডিং

আপনার লোগো, ফেসবুক পেইজের সেটাপ, ওয়েবসাইটের ইন্টারফেস, পণ্যের প্যাকেজিং, ম্যাসেজের উত্তর, আপনার আফটার সেলস সার্ভিস সবকিছুই ব্র্যান্ডিং এর অংশ। এমনভাবে ব্র্যান্ডিং করুন যাতে আপনার পণ্য অন্যদের থেকে ভিন্ন হয়, যাতে আপনি বেশী দাম রাখলেও আপনার ব্র্যান্ডিং এর কারণে কাস্টমার বেশী দাম দিয়ে কিনতে রাজি থাকে। এমন ভাবে আপনার মার্কেটিং এক্টিভিটি সাজান যাতে আপনি কাস্টমারের টপ অফ মাইন্ড থাকতে পারেন এবং একবার কাস্টমার আপনার থেকে কোন প্রডাক্ট কিনলে যেন আপনার মনে থাকে, একবার একটি পেইজে হুডি অরডার করেছিলাম, তারা একটা হাতে লেখা চিঠি দিয়েছিল। খুজলে এখনো মেবি চিঠিটা পাব। এটি ছোট্ট একটি উদাহরণ ব্র্যান্ডিং এর।

৩। Comfortable হওয়া যাবে না

আপনি অনলাইন ব্যবসায় করলে, “চলছে চলুক”, “হচ্ছে হোক”, “খারাপ তো হচ্ছে না” এসব শব্দ আপনার অভিধান থেকে বের করে ফেলতে হবে। আমরা যারা ৯০ এর দশকের, আমারা অনেকেই ফখরুদ্দিন বিরিয়ানি চিনি। এক সময় অনেক নাম ডাক থাকলেও, এখন প্রচন্ড প্রতিযোগিতায় আগের সেই জায়গায় আর নেই। আগামী প্রজন্মের অনেকের কাছে অচেনা রয়ে যাবে ফখরুদ্দিন বিরিয়ানি। এর একটি কারণ হচ্ছে they got comfortable! ব্যবসায় করতে গিয়ে তারা মনে করেছে যেমন চলছে, খারাপ না। কোন ধরণের ইনোভেশন, চেঞ্জ, নতুনত্ব কিছুই তারা এম্ব্রেস করেনি, ইভেন একটি লোগো চেঞ্জ বা বাটির ডিজাইনও না। যে কারণে এভাবে চলতে থাকলে কেউ মনে রাখবে না, এক সময়ের এই ব্র্যাণ্ডকে। ঠিক সে রকম, অনলাইন বিজনেস করতে এসে আপনাকে Comfortable হওয়া যাবে না।

একটি প্রোডাক্ট অনেক হিট, আরেকটি প্রোডাক্ট নিয়ে ভাবুন। একজন লাইভ হোসট অনেক ভাল করছে, করুক, সাথে আরেকজনকে রেডি করুন। একটি টার্গেট অডিয়েন্স থেকে ভাল ফলাফল আসছে, আসতে থাকুক, আপনি আরও ১০ টি টার্গেট অডিয়েন্স নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করুন। ফেসবুকে খুব ভাল রেস্পন্স, হোক, ইন্সটগ্রাম টিকটক ও যেন বাদ না যায়! Never get comfortable in online business. নতুনত্ব এবং উদ্ভাবনী কিছু করে যেতে হবে, নাহলে একদিন হারিয়ে যাবে আপনার ব্র্যাণ্ড।

আজকে থেকে ৫ বছর পর সে সকল পেইজই ব্যবসা করতে পারবে যারা গড্ডালিকা প্রবাহে ভেসে ভেসে প্রডাক্ট সিলেক্ট করেনি, যারা কন্টেন্ট মার্কেটিং বুঝেছে এবং সঠিকভাবে করেছে, যারা নিজেদের পেইজটাকে একটি ব্র্যান্ড হিসেবে দাড় করানোর জন্য কষ্ট করেছে, বিনিয়োগ করেছে। এবং যারা কখনো comfortable হয়ে যায়নি, বরং প্রতিনিয়ত নতুন কিছু করে চলেছে, এবং তারাই সফল।
পুরো লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ফাউণ্ডার – Continto
Facebook Boost

ফেসবুক বুস্ট এর পারফর্মেন্স খারাপ হয় যে ৫টি কারণে

ফেসবুকে অ্যাড দেয়ার বা বুস্ট করার অভিজ্ঞতা যাদের আছে, এই লেখাটা তাদের জন্য। বিশেষ করে যারা অনলাইনে বিজনেস করেন এবং নিজের বুস্ট নিজে করেন তারা পুরো লেখাটা মনোযোগ দিয়ে পড়বেন, কারণ এই লেখায় আমরা তুলে ধরব কি কি কারণে ফেসবুক বুস্টের পারফর্মেন্স খারাপ হতে পারে।

১। কন্টেন্ট

পেইজের যে পোস্ট বা ভিডিওটি আপনি বিজ্ঞাপনে দিচ্ছেন সেটার উপর আপনার অ্যাড এর পারফর্মেন্স নির্ভর করে। কন্টেন্টের ভাষা, ধরণ, ডিউরেশন, ফরম্যাট সব কিছু অ্যাড এর পারফর্মেন্স এ প্রভাব ফেলে। আপনার কন্টেন্টের কোয়ালিটি যদি খারাপ হয়, বা প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে না পারে তাহলে এটা কন্টেন্ট এর ব্যর্থতা।
আপনাকে বিভিন্ন ধরণের কন্টেন্ট দিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করে বুঝতে হবে কোনটায় কাস্টমার ভাল রেসপন্স করছে, এবং কোনটায় করছে না। এই এক্সপেরিমেন্ট থেকে আপনি যে ফলাফল পাবেন সেটার উপর নির্ভর করে আপনাকে কন্টেন্ট নির্বাচন করতে হবে। যদি কন্টেন্ট এর ধরণ জাতের না হয়, তাহলে কাড়ি কাড়ি ডলার দিয়েও সেল আসবে না

২। বার বার অ্যাড এডিট করা

কম করে হলেও ৭০-৮০% ভাগ অনলাইন বিজনেস যারা করেন তারা এই কাজটা করেন। অ্যাড চালু করে ১-২ দিনের মধ্যেই আবার অ্যাড এডিট করতে বসেন। এটা ম্যাগি নডুলস না যে ২ মিনিটে সব হয়ে যাবে। ফেসবুক একটি মেশিন এবং মেশিন কাজ করতে সময় নেয়, ফেসবুক কে আপনার অ্যাড এর জন্য রেজাল্ট নিয়ে আসতে সময় দিতে হবে। বার বার অ্যাড এডিট করলে অ্যাডটি লার্নিং ফেইস থেকে বের হতে বেশী সময় নিবে এবং আপনার কাঙ্খিত ফলাফল আসতেও সময় নিবে।
তাই অ্যাড বার বার এডিট করবেন না, সময় দিন। সময় দিয়ে দেখুন ফলাফল কেমন আসে, এরপর প্রয়োজন হলে অ্যাড এর টারগেটিং এ চেঞ্জ আনবেন।

৩। টারগেটিং ভুল করা

আমার মতে ফেসবুক টার্গেটিং একটি আর্ট এবং সাইন্স এর সম্মিলিত প্রচেষ্টা। আপনার অডিয়েন্স কে বোঝা, তাদের বিহেভিয়র, পছন্দ সম্পর্কে জ্ঞান রাখা এবং টারগেটিং এর মাধ্যমে তাদের কাছে অ্যাড পোঁছে দেয়া একটি কষ্ট সাধ্য কাজ। অনেক উদ্যোক্তা আছেন যারা জীবনেও অ্যাড ম্যানেজার ব্যবহার করে অ্যাড দেয়নি। পেইজের বুস্ট পোস্ট অপশন থেকে বুস্ট করেই ব্যবসা চালিয়ে আসছে। অ্যাড ম্যানেজার এ ফাংশন এবং অপশন সব বেশী, এগুলো ব্যবহার করলে সঠিকভাবে টারগেটিং করা সহজ হয়ে ওঠে।

এটা ছাড়াও অতিরিক্ত কি ওয়ার্ড ব্যবহার করা, সঠিক টারগেটিং প্যারামিটার ব্যবহার না করা, অডিয়েন্স রিটারগেট না করা এবং সঠিকভাবে কাস্টম অডিয়েন্স ব্যবহার না করতে পেরে অনেকেই ফেসবুক অ্যাড এর সব অপশন গুলো প্রয়োগ করতে পারে না। এগুলো নিজে শিখে প্রয়োগ করলে ভাল ফলাফল আপনি পাবেনই। আমার কোর্সের সকল লার্নারদের আমি নিজে সব টুল আয়ত্তে এনে অ্যাড রান করার পেছনে জোর দেই।

৪। অল্প দিনের এবং অল্প বাজেটের অ্যাড দেয়া

ফেসবুক এর প্রত্যেকটি অ্যাড অবজেক্টিভ এর জন্য রেকমেন্ডেড বাজেট এবং ডিউরেশন থাকে। ছোট উদ্যোক্তারা যারা বুস্ট করেন তারা অনেকেই ২-৩ দিনের জন্য অ্যাড রান করতে চায়, এই ২-৩ দিনের অ্যাডে জীবনেও সেল জেনারেট সম্ভব না, যদি বাজেট বেশী দিয়ে ২-৩ দিনের অ্যাড দিয়ে সেল আনতে পারেন সেটা সৃষ্টিকর্তার কৃপা। কারণ ফেসবুক এর নিয়ম হচ্ছে অ্যাড যত লম্বা সময় ধরে চলবে তত ভাল রেজাল্ট আসবে। আপনি যদি অল্প সময়ের জন্য অ্যাড রান করেন এবং ১-২ ডলার ডেইলি বাজেট দেন তাহলে এই বুস্ট থেকে কোন ফলাফল আশা করা ভুল।
আমি প্রাই বলি, বুস্ট হচ্ছে একটি দোকানের লাইট ফ্যানের মত। আপনার যদি একটি শপিং মলে দোকান থাকত, আপনি কি মাঝে মাঝে লাইট জালাতেন এবং বাকি সময় বন্ধ করে রাখতেন? না! আপনি সব সময় লাইট জালিয়ে রাখতেন, ঠিক তেমনই আপনার ফেসবুক পেইজের বুস্ট অফ থাকা অর্থাৎ হচ্ছে আপনার দোকানের লাইট অফ। সুতরাং অল্প বাজেট হলেও নিয়মিত অ্যাড চালু রাখবেন এবং একেক রকমের অডিয়েন্স টার্গেট করে আগাতে থাকবেন যতদিন পর্যন্ত না মন মত অডিয়েন্স পান।

৫। অ্যাড এবং এক্সপেক্টশনের তারতম্য

এই বিষয়টা একটু বুঝতে হবে। ধরেন আপনি চাচ্ছেন আপনার পেইজে লাইক আসুক, কিন্তু আপনি লাইক এর জন্য অ্যাড না দিয়ে রিচ বাড়ানোর অ্যাড দিলেন। তাতে কিন্তু আপনি যে পোস্টটি ব্যবহার করেছেন সেখানে রিচ বেশী আসবে, কিন্তু এতে আপনার পেইজে লাইক নাও আসতে পারে। কিন্তু আপনি মনে করছেন আপনার পেইজে লাইক কেন বাড়ছে না ইত্যাদি। তাই আপনার বুঝতে হবে আপনি কি চান এবং আপনি যেভাবে অ্যাড দিচ্ছেন সেটা আপনার এক্সপেক্টেশন পূরণ করবে কিনা। আপনি চাবেন একটা, অ্যাড দিবেন আরেকটা, ১-২ দিন অ্যাড রান করে ৪ বার এডিট করে ৬ ডলার খরচ করে বলবেন “ফেসবুক অ্যাড কাজ করছে না” তাহলে তো হল না!
উপরের বিষয়গুলো মনে রাখবেন, বাস্তবে প্রয়োগ করবেন এবং যা করবেন জেনে করবেন বা যে জানে তাকে দিয়ে করাবেন। ধৈর্য সহকারে এই বিষয়গুলো মেনে চলবেন, ইন শা আল্লাহ্‌ ভাল ফলাফল পাবেন।
লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ফাউণ্ডার – Continto
Online Business Idea, Business Ideas, Nafees Kausar

আপনি কি মার্কেট ধরছেন নাকি মার্কেট নষ্ট করছেন?

আমাদের দেশে অনলাইন ব্যবসায় শুরু করার সময় কোন প্রোডাক্ট নিয়ে ব্যবসা শুরু করা উচিত তার একমাত্র এবং অন্যতম মানদণ্ড হচ্ছে, “যে প্রডাক্ট ভাল চলতেসে সেটা”। এই উক্তির পেছনে নেই কোন সংগঠিত রিসার্চ, নেই কোন কংক্রিট ডেটা। শুধুমাত্র লোকমুখে শুনে যে ব্যবসা ভাল চলছে মনে হচ্ছে সেই প্রোডাক্ট প্রথম চয়েসে পরিণত হয়। ভবিষ্যতে আদৌ এই প্রোডাক্ট চলবে কিনা, ডিমান্ড কেমন হবে, প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ার কোন সুযোগ আছে কিনা এই ধরণের কোন বিশ্লেষণ করা হয় না। যে কারণে সবাই যে প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করছে সেই প্রোডাক্ট নিয়ে শুরু হয় অনলাইন ব্যবসা।

ঘটনা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় দেখেন। যখন কমন একটি প্রডাক্ট নিয়ে ব্যবসা শুরু করা হয় সেখানে আসলে নতুনত্ব আনার তেমন কোন সুযোগ থাকে না। সবাই যে স্টাইলে মার্কেটিং করছে, যে ধরণের অফার দিচ্ছে সেই একই রকমভাবে একই কাজ করে গড়ে উঠে নতুন নতুন পেইজ এবং ব্যবসায়। শুধু সেটা হলেও হত, আসল সমস্যা আসে প্রাইস এর ক্ষেত্রে।

আমাদের দেশের অনলাইন ব্যবসায়ের প্রাইসিং স্ট্রাটেজি একটাই। মার্কেটে যে দামে দিচ্ছে এর থেকে কমে দিব। এর বাইরে আর কোন প্রাইসিং স্ট্রাটেজি নিয়ে কেউ চিন্তার প্রয়োজন মনে করে না। অথচ আমরা যখন বিবিএ এমবিএ করি আমাদেরকে আরও বিভিন্ন ধরণের প্রাইসিং স্ট্রাটেজি শেখানো হয়েছে। যেমনঃ

  • কস্ট প্লাস প্রাইসিংঃ আপনার প্রোডাক্টের খরচের উপর আপনি একটি মার্ক আপ সংযুক্ত করে প্রাইস সেট করবেন।
  • কম্পেটিটিভ প্রাইসিংঃ কম্পিটিশন যে ধরণের প্রাইস চার্জ করছে সেটার মত প্রাইস সেট করা।
  • প্রাইস স্কিমিংঃ প্রথমে অনেক বেশী দাম দিয়ে শুরু করা এবং মার্কেট বাড়তে থাকলে ধীরে ধীরে দাম কমিয়ে আনা।
  • পেনেট্রেশন প্রাইসিংঃ কম্পিটিটিভ মার্কেট ঢোকার জন্য প্রাইসিং কমিয়ে রাখা এবং ধীরে ধীরে পরবর্তীতে প্রাইসিং বাড়িয়ে দেয়া।
  • ভ্যালু বেসড প্রাইসিংঃ অর্থাৎ আপনার প্রডাক্ট বা সার্ভিসে এক্সট্রা ভ্যালু সংযুক্ত করুন এবং সেই অনুযায়ী প্রাইস রাখুন।

দুঃখজনক হলেও আমাদের দেশে অনলাইন ব্যবসায় এর প্রাইসিং স্ট্রাটেজি হচ্ছে “মার্কেট ধরার জন্য কম প্রাইসে দিব”, এই মার্কেট ধরতে গিয়ে আসলে মার্কেট নষ্ট হচ্ছে। কিভাবে? আসেন বলি।

তিনজন ব্যক্তির কথা চিন্তা করেন, তানিয়া, মাইশা এবং জান্নাত।

তানিয়া অনলাইন ব্যবসা করছে ২০১৭ সাল থেকে। আরলি শুরু করায় সহজেই তার অনলাইন ব্যবসায় বড় হতে সময় নেয়নি। প্রতিযোগিতা কম, মার্কেটিং খরচ কম এবং লেগে থেকে কাজ করে যাওয়ার কারণে একটি ভাল অবস্থানে চলে আসে তানিয়ার ব্যবসা। টিম বড় করে ছোট্ট একটা দোকানও নিয়ে নেন ভাল একটি শপিং সেন্টারে। শুধু এক ধরণের প্রোডাক্ট এর রমরমা ব্যবসা করতে থাকে তানিয়া। মনে করি তানিয়া যে প্রোডাক্ট বিক্রয় করে তার দাম ২,০০০ টাকা।

এখন ২০২০ সালে অনলাইন ব্যবসায়ে নামে মাইশা। অনলাইনে বিভিন্ন গ্রুপে দেখেছে অনলাইন ব্যবসা করে অনেক টাকা কামানো সম্ভব। সদ্য ভার্সিটি থেকে বের হয়েই ভেবেছে শুরু করবে নিজের অনলাইন বিজনেস। এবং অল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করবে তার ব্যবসা কারণ সে তো মাত্র স্টুডেন্ট। তাই অল্প কিছু প্রডাক্ট নেয় মাইশা, মার্কেটিং বাজেটও অল্প, বয়ফ্রেণ্ড বুস্ট করে দেয়ার আশ্বাস দেয়াতে মনে একটু বল আসে। নেই কোন দোকান, নেই কোন টিম; তাই মাইশা ভাবল দাম কমালেই “মার্কেট ধরা” সম্ভব হবে। তানিয়া যে প্রোডাক্ট ২,০০০ টাকায় বিক্রয় করে সেই একই প্রোডাক্ট মাইশা দাম কমিয়ে বিক্রয় করা শুরু করে ১,৫০০ টাকায়। এবং এখানেও সে স্বল্প প্রফিট করতে সক্ষম হয় কারণ তানিয়া যে বিনিয়োগ এবং যে বড় পরিসরে কাজ করে তার খরচ বাড়িয়ে ফেলেছে, মাইশার সেটা প্রয়োজন নেই। যে প্রডাক্ট আগে তানিয়া ২,০০০ টাকায় বিক্রয় হত, মাইশার কাস্টমার সেটা পাচ্ছে ১,৫০০ টাকায়।

দুই বছর পরে হাউজওয়াইফ জান্নাত নামেন ব্যবসায়ে। ছোট্ট দুই সন্তান এবং ব্যাংক এ চাকরিরত হাসবেন্ড নিয়ে তার ছোট সংসার। নিজের জমানো কিছু টাকা এবং হাসবেন্ড থেকে অল্প কিছু ব্যাক আপ নিয়ে শুরু হয় তার জান্নাত’স বুটিক্স। কিছুটা শখের বশেই নেমেছেন ব্যবসায়। নিজের একটা পরিচয় তৈরি হোক, প্রফিট আসলে আসল, না আসলে নাই। তাই মাইশা যে ধরণের প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করে সেই ধরণের কিছু প্রোডাক্ট নিয়ে মার্কেট ধরার জন্য জান্নাত দাম রাখে ১,২০০ টাকা। যেহেতু তার প্রফিট সামান্য হলেই হবে, তাই দাম কমালেই মার্কেট পাবে বলে মনে করল জান্নাত। যে প্রডাক্ট আগে মাইশা ১,৫০০ টাকায় বিক্রয় হত, জান্নাতের কাস্টমার সেটা পাচ্ছে ১,২০০ টাকায়।

সাল ২০২৩, তানিয়ার অনলাইন ব্যবসা এখন আর আগের মত নেই। টিম এর খরচ, দোকান ভাড়া, মার্কেটিং খরচ সব দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। কাস্টমার তার ইনবক্সে ম্যাসেজ দেয়, “আপু এই প্রোডাক্ট জান্নাত’স বুটিক্স পেইজে ১,২০০ টাকায় দেখলাম আপনারটায় বেশী কেন?” উত্তর নেই তানিয়ার কাছে!

উত্তর থাকবে কিভাবে? এভাবে মার্কেট ধরার নামে প্রোডাক্ট এর দাম কমানোর কারণে নষ্ট হচ্ছে অনেক প্রডাক্ট এর মার্কেট। এর প্রধান কারণ হচ্ছে না জেনে, না বুঝে, পরিকল্পনা ছাড়া, ট্রেন্ডে ঝাপিয়ে পরে অনলাইন বিজনেস খুলে ব্যবসায় করার চেষ্টা করার কারণে। যতদিন না আমরা দাম কমিয়ে মার্কেট ধরার টেন্ডেন্সি থেকে বের হতে পারব ততদিন আমাদের এফ কমার্স ফোকাসড অনলাইন বিজনেস এর কোন নিরাপত্তা নেই।

সবাই উদ্যোক্তা, সবাই মার্কেটার, তাহলে ক্রেতা কে? এখন তো পাইকারি বিক্রেতাও চলে আসছে রিটেইল সেল করতে। কিন্তু কেন?! আমাদের দেশে কোন পলিসি বা কাঠামো নেই, হবে কিনা জানিনা, তাই ব্যবসায়ীদের উচিত নিজেদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে দাম কমিয়ে মার্কেট ধরার প্র্যাকটিস বন্ধ করতে হবে। এবং সবাই মিলে এক প্রোডাক্ট এর সেল করার জন্য উঠে পরে লাগলে হবে না। আজকে আপনি দাম কমিয়েছেন, কালকে আরেকজন কমাবে এভাবে নষ্ট হবে আপনাদের প্রোডাক্ট এর মার্কেট।

মার্কেট এ যে প্রাইস আছে, সেরকম কাছাকাছি প্রাইস রাখুন। মার্কেটিং এর ধরণ, অফার, পরিবেশন ইত্যাদির মাধ্যমে কাস্টমার ধরার চেষ্টা করুন। কারণ আমাদের ক্রেতারা খুবই প্রাইস সেনসেটিভ। যেটা কমে পাবে সেটাই নিবে, প্রয়োজনে পরে পস্তাবে তাও আগে বেশী টাকা দিবে না, সুতরাং তাদেরকে এই সুযোগ যত কম দিবেন আপনার বিজনেস এর জন্য তত ভাল হবে

মার্কেট ধরতে গিয়ে মার্কেট নষ্ট করবেন না। জানুন, বুঝুন তারপর ব্যবসায় নামুন।

পুরো লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

নাফিস কাওসার, ফাউন্ডার – Continto

 

facebook security

ফেসবুক পেইজের সিকিউরিটির জন্য যা করবেন

আমার খুব খারাপ লেগেছিল। সেদিন এক পরিচিত আপু ফোন দিল। ওনার কণ্ঠস্বর শুনে মনে হচ্ছিল এই বুঝি কেঁদে দিবেন। কারণ কি জানেন? কারণ তার কষ্টের তিল তিল করে গড়ে তোলা ফেসবুক পেইজ একজন হ্যাকার ডিলিট করে দিচ্ছে। হ্যাকার বললে ভুল হবে, প্রেফশনাল কাজ করানোর জন্য একজনকে পেইজের অ্যাডমিন বানিয়েছল, সেই ব্যক্তি এখন বাকি সবাইকে পেইজ এর রোল থেকে রিমুভ করে দিয়ে নিজেই একা অ্যাডমিন। এবং কিছু ব্যক্তিগত সমস্যার জের ধরে এখন সেই পেইজ ডিলিট করে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে। আপু আমার কাছে জানতে চেয়েছে এখন ওনার করনীয় কি। আমি বললাম ডিরেক্ট ফেসবুক সাপোর্ট এর সাথে কথা বলে বিষয়টা বোঝাতে। আপু তাই করলেন, কিন্তু তারাও জানালো অ্যাডমিনের হাতেই এখন পুরো ক্ষমতা এবং সে ব্যাপারে তাদের কিছু করার নেই।
যারা অনলাইনে ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে ব্যবসায় করেন, তাদের অনেকেরই প্রফেশনাল কারণে ব্যবসায়ের বাইরের ব্যক্তিদের পেইজের অ্যাক্সেস দিতে হয়। আজকে বলতে চাই কি কি বিষয়ে সতর্ক থাকার মাধ্যমে আপনার ফেসবুক পেইজকে এরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পারবেন।
অ্যাডমিন রোল সবাইকে দিবেন নাঃ ফেসবুক বুস্ট, ম্যাসেজের উত্তর, পোস্ট করা ইত্যাদি কারণে অনেক সময়ে বাইরের ব্যক্তিদের পেইজে রোল দিতে হয়। সেক্ষেত্রে কখনোই অ্যাডমিন রোল দিবেন না। বুস্টের জন্য অ্যাডভাটাইসার রোল যথেষ্ট, কিছু কিছু ক্ষেত্রে এডিটর রোল প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু কখনোই অ্যাডমিন রোলের প্রয়োজন হয় না উপরের কাজগুলোর জন্য। যে যতই হাইকোর্ট দেখাক, অ্যাডমিন রোল নিজেদের মধ্যেই রাখবেন। কারণ অ্যাড দিতে, পোষ্ট করতে, ম্যাসেজের উত্তর দিতে অ্যাডমিন হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। কেউ যদি আপনার কাছে অ্যাডমিন রোল চায় তাহলে সঠিক কারণ জিজ্ঞাসা করবেন, এবং তা অন্য কারো কাছ থেকে যাচাই করে নিবেন।
অনেক সময় নতুন পেইজ অন্যের খুলে দিতে হয়। সেক্ষেত্রে পেইজ খোলা মাত্র আপনাকে অ্যাডমিন বানাতে বলবেন এবং সেবা প্রদানকারী কে অ্যাডমিন রোল থেকে সরিয়ে দিবেন কাজ হয়ে যাওয়া মাত্র।
ফেসবুক প্রুপ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও গ্রুপের অ্যাডমিন রোল বুঝে শুনে দিতে হবে। গ্রুপকে পুঁজি করে যাতে কেউ কোন অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে না পারে সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।
পেমেন্ট ইনফরমেশন শেয়ার করবেন নাঃ অনেকেই নিজের কার্ড ব্যবহার করে বুস্টের জন্য বলেন। অনেকে এরকম সার্ভিস দিয়েও থাকে। একান্ত বিশ্বস্ত না হলে নিজের কার্ডের তথ্য অন্যের সাথে শেয়ার করবেন না। আপনার কার্ডের বিস্তারিত যাতে আপনি ছাড়া আর কেউ না জানে। কার্ডের তথ্য জেনে গেলে আপনি অনেক রকমের বিপদে পরতে পারেন।
ফেসবুক আই ডি এর পাসওয়ার্ড শেয়ার করবেন নাঃ আমার কাছে এরকম অনেকেই জানতে চেয়েছেন যে কেউ কেউ তাদেরকে বলেছে ফেসবুক পেইজে কাজ করতে হলে তাদের ফেসবুক আই ডি এর পাসওয়ার্ড প্রয়োজন। এবং সব ক্ষেত্রে আমি মেয়ে কাস্টমারদের থেকেই এরকম অদ্ভুত কমপ্লেইন পেয়েছি, বলাই বাহুল্য এর পেছনে অসাধু উদ্দেশ্য ছাড়া আর কিছুই নেই। সুতরাং কোন অবস্থাতেই ফেসবুক পেইজের কাজের জন্য কারও সাথে পার্সোনাল ফেসবুক প্রোফাইলের আই ডি পাসওয়ার্ড শেয়ার করবেন না।
নিজের ইমেইল নিজের রাখুনঃ আপনি যেই ইমেইল অ্যাড্রেস দিয়ে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন সেটার পাসওয়ার্ড কাজের স্বার্থে কারও সাথে শেয়ার করবেন না। আপনার অনেক ব্যক্তিগত তথ্য সহজেই তারা পেয়ে যেতে পারে, তাই সেক্ষেত্রেও আপনাকে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। যদি শেয়ার করে থাকেন, তাহলে দ্রুত আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলুন।
একটি বিজনেস ম্যানেজার অ্যাকাউন্ট খুলুনঃ আপনি যদি ফেসবুক ব্যবহার করে ব্যবসায় করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই একটি বিজনেস ম্যানেজার অ্যাকাউন্ট খুলে নিবেন। বিজনেস ডট ফেসবুক ডট কমে গিয়েই আপনি প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আপনার বিজনেস ম্যানেজার অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলতে পারবেন। সহজ করে বললে আপনার পেইজের সুরক্ষার জন্য এটি আপনার কাজে আসবে। এবং নিশ্চিত করবেন আপনার পেইজ আপনার বিজনেস ম্যানেজারের আওতায় আছে।
নিজের সাবধানতা নিজের উপর। তাই একজন প্রাক্টিশনার হিসেবে আমার দায়িত্ব সচেতনতা বৃদ্ধি করা, বাকিটা আপনাদের উপর। আশা করি এসকল ব্যাপারে নিজেদের আপডেটের রাখলে এবং সতর্ক থাকলে আপনারই উপকার হবে। সফল হোক আপনাদের চেষ্টা, ভাল থাকুক সকল উদ্যোক্তা।